হিন্দি সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী মধুবালার জীবনী নিয়ে ছবি তৈরি হবে এমন খবর গত বছর থেকেই শোনা যাচ্ছে। সেই ঘোষণা সামনে আসার পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মধুবালার চরিত্রে কোন অভিনেত্রীকে দেখা যাবে তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। যদিও এখনও পর্যন্ত নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।
প্রথমদিকে বলিউডের বিভিন্ন মহলে শোনা যাচ্ছিল, এই ছবিতে মধুবালার চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন কিয়ারা আডবাণী। তাঁর নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল। তবে সম্প্রতি নতুন করে অন্য এক অভিনেত্রীর নাম সামনে এসেছে। ফলে কে শেষ পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন তা নিয়ে আবারও শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
বলিউডের অন্দরের খবর অনুযায়ী, নির্মাতারা নাকি ইতিমধ্যেই অভিনেত্রী নির্বাচন করে ফেলেছেন। শোনা যাচ্ছে, সাইয়ারা খ্যাত অনিত পদ্দাকে মধুবালার ভূমিকায় দেখা যেতে পারে। তবে এই খবর সামনে আসার পরই YRF ট্যালেন্টের এক মুখপাত্র বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে সনি পিকচার্স ইন্টারন্যাশনাল প্রোডাকশনস মধুবালাকে নিয়ে এই বায়োপিক তৈরির ঘোষণা করে। এটি সনি পিকচার্স ইন্টারন্যাশনাল প্রোডাকশনস, ব্রিউইং থটস প্রাইভেট লিমিটেড এবং মধুবালা ভেঞ্চার্সের যৌথ প্রযোজনা। এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন মধুবালার ছোট বোন মধুর ব্রিজ ভূষণ এবং অরবিন্দ কুমার মালব্য।
আরও পড়ুনঃ ভেনিসে সাফল্যের পর বাংলায় নতুন পরিকল্পনা! অনুপর্ণা রায়ের ছবিতে কি দেখা যাবে পাওলি দামকে?
হিন্দি সিনেমার স্বর্ণযুগে মধুবালা ছিলেন অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রতিভাবান অভিনেত্রী। তাঁর অভিনীত মিস্টার অ্যান্ড মিসেস ৫৫, চালতি কা নাম গাড়ি, কালা পানি এবং হাওড়া ব্রিজ আজও দর্শকদের কাছে ক্লাসিক ছবি হিসেবে পরিচিত। ১৯৬০ সালে মুক্তি পাওয়া মুঘল ই আজম ছবিতে আনারকলির চরিত্রে তাঁর অভিনয় বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে ১৯৬৯ সালে তাঁর মৃত্যু হলেও ভারতীয় সিনেমায় তাঁর অবদান আজও সমানভাবে স্মরণ করা হয়।





