আজ তিনি বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী। Madhuri Dixit-এর নাচ, অভিনয় এবং একের পর এক সুপারহিট ছবি নিয়ে এখনও আলোচনা হয়। তবে কেরিয়ারের শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। প্রথম ছবি ‘আবোধ’ মুক্তির পর টানা বেশ কিছু ছবিতে ব্যর্থতার মুখ দেখতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। সেই সময় আর্থিক সমস্যার মধ্যেই কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা Shekhar Suman পুরনো দিনের একটি অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। তিনি জানান, ‘সংসার’ ছবির পর তাঁকে নতুন একটি সিনেমার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই ছবির নায়িকা ছিলেন নবাগত মাধুরী দীক্ষিত। প্রথমবার অভিনেত্রীর সঙ্গে দেখা করেই তাঁর ব্যক্তিত্ব এবং সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে যান শেখর।
অভিনেতার কথায়, সেই ছবির বাজেট ছিল খুবই কম। প্রযোজকের হাতে তেমন অর্থ না থাকায় অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেই শুটিং চলেছিল। এমনকি মাধুরীর যাতায়াতের জন্যও আলাদা ব্যবস্থা ছিল না। তাই প্রতিদিন নিজের স্কুটারে করেই অভিনেত্রীকে শুটিং ফ্লোরে নিয়ে যেতেন শেখর সুমন এবং কাজ শেষে আবার বাড়ি পৌঁছে দিতেন।
শুধু তাই নয়, ছবির মেকআপ আর্টিস্ট কিংবা পোশাকের জন্যও আলাদা খরচ করা সম্ভব হয়নি। শেখর জানান, তাঁর স্ত্রী অলকা নিজেই মাধুরীর মেকআপ করতেন। অনেক দৃশ্যে অভিনেত্রীকে অলকার নিজের পোশাক পরেই অভিনয় করতে হয়েছিল। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও কাজের প্রতি নিষ্ঠা রেখেই এগিয়ে গিয়েছিলেন মাধুরী।
আরও পড়ুনঃ অঙ্কিতা-দেবালয় বিতর্কে পরিচালকের নতুন পদক্ষেপ! এবার অভিনেত্রীকে আইনি নোটিশ পাঠালেন দেবালয় ভট্টাচার্য!
১৯৮৬ সালে মুক্তি পাওয়া সেই ছবির নাম ছিল ‘মানব হত্যা’। ছবিতে মাধুরী এবং শেখর সুমনের পাশাপাশি অভিনয় করেছিলেন Gulshan Grover, Tom Alter-সহ আরও অনেক শিল্পী। ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছিলেন Anu Malik। কঠিন সময় পার করেই পরবর্তীতে বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের তালিকায় নিজের জায়গা তৈরি করেন মাধুরী।





