দর্শকদের (Audience) মাঝে যখন একটি সাধারণ মানুষ অভিনেতা (Actor) বা অভিনেত্রী (Actress) হয়ে ওঠেন অর্থাৎ যখন একজন অভিনেতার জন্ম হয় তখন দর্শকরা ঠিক যে পরিমাণ আনন্দিত হন, তারা যখন চিরকালের মতন বিনোদন (Entertainment) জগতকে এবং দর্শকদের বিদায় জানিয়ে অন্য জগতে পাড়ি দেন তখন দর্শকরা তার থেকে অনেক বেশি কষ্ট পান।
কিছুদিন আগেই বা বলা ভালো কিছু মাস আগে যখন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা (Oindrila Sarma) মারা গিয়েছিলেন সেই সময় তার পরিবারের পাশাপাশি দর্শকদের (Audience) হৃদয়েও দুঃখের সঞ্চার হয়েছিল। তখন দর্শকরাও প্রয়াত অভিনেত্রীর এক অন্যতম পরিবার হয়ে উঠেছিলেন। ঐন্দ্রিলার মতোনই আরও এক বর্ষীয়ান অভিনেত্রী দর্শকদের ছেড়ে বিদায় নিল চিরতরে।
মারা গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী
প্রবীণ অভিনেতা সীমা দেও। যাঁকে আনন্দ, কোশিশ এবং কোরা কাগজের মতো ছবিতে দেখা গিয়েছিল। ২৪ অগাস্ট ৮৩ বছর বয়সে মারা গিয়েছেন। তাঁর ছেলে চলচ্চিত্র নির্মাতা অভিনয় দেও একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন, ‘মা মারা গিয়েছেন। তিনি সুস্থই ছিলেন। তিনি আলঝেইমারে ভুগছিলেন। তবে অন্যথায় তাঁর কোনও অসুস্থতা ছিল না।’

অভিনয় জগতের অন্যতম তারকা তিনি
‘আনন্দ’, ‘কোরা কাগজ’, ‘কৌশিশ’-এর মতো বহু হিট ছবি উপহার দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। হিন্দি সিনেমার পাশাপাশি মারাঠি ছবির জগতেও বেশ জনপ্রিয় ছিলেন সীমা দেও। রাজেশ খান্না, অমিতাভ বচ্চনের মতো বহু বড় অভিনেতার সঙ্গেই স্ক্রিন শেয়ার করেছেন বলিউডের প্রবীণ অভিনেত্রী।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই মারা যান বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রমেশ দেও। বছর দেড়েকের মধ্যেই চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিলেন স্ত্রী সীমা দেও। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যিনি বহু হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তিনি মারা যাওয়ার বেশ শোকাহত তার অনুরাগীরা। তার মৃত্যুতে ভারতের চলচ্চিত্র জগত তার আরো এক অমূল্য রতন হারালো একথা বলাই বাহুল্য।






