মৃ’ত্যুর সময় শ্রীদেবীর ঠোঁটের ফাঁকে পাওয়া গিয়েছিল এক টুকরো সোনা! জানেন ওই সোনার অর্থ কি?

বলিউডের (Bollywood) সুন্দরী অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন ছিলেন শ্রীদেবী (Sridevi)। পাঁচের দশকের সুন্দরী অভিনেত্রীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। একের পরে এক হিট ছবি দিয়ে দর্শকের মন্দ জিতে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সুন্দরীর পাশাপাশি একজন ট্যালেন্টেড অভিনেত্রীর তালিকাতেও জায়গা করে নিয়েছিলেন প্রথম সারিতে। অভিনেত্রীর মৃত্যু রহস্য আজও ভাবায় নেটিজেনদের। অভিনেত্রীর মৃত্যুর পরে নানান রকম খবর উঠে এসেছিল সোশ্যাল মিডিয়াতে।

২০১৮ সালে ২৪ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ের একটি বিলাসবহুল হোটেলের স্নানঘরে শ্রীদেবীর নিথর দেহ পাওয়া গিয়েছিল। বাথটবে ভেসে উঠেছিল তাঁর নিথর দেহ। বনি কাপুরের ভাই দাবি করেছিলেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল তার। কিন্তু নেটিজেনদের মধ্যে অনেকেই সেই মৃত্যুকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নিতে পারেনি। অনেকেই দাবি করেছিলেন শ্রীদেবীর মৃত্যু ছিল একটা পরিকল্পিত খুন। যদিও বছর পাঁচেক পর সবটাই স্পষ্ট হয়ে যায়। শ্রীদেবীর মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে ঘোষণা করা হয়।

সেদিন বনি চেয়েছিলেন স্ত্রীকে সারপ্রাইজ দিতে। সেই মতোই মুম্বই ফিরে এলেও আবার দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। ইচ্ছে ছিল স্ত্রীকে নিয়ে খেতে বের হবেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটার সময় শ্রীদেবীর হোটেলের ঘরে হাজির হন বনি। সেখানে ১৫ মিনিট কথা হয় তাঁদের। বেশ কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পর স্নানঘরের দরজায় ঠেলা দেন বনি। ডাকাডাকিও করেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনও সাড়াশব্দ আসে না।

পরেই নাকি দরজা ভেঙে ঢোকেন বনি। গিয়ে যা দেখেন তা স্তব্ধ করে দেয় তামাম বিশ্বকে। বাথটবে ভাসছে শ্রীদেবীর নিথর দেহ। তিনি সাড়া দিচ্ছে না। বনি ফোন করেন তাঁর এক বন্ধুকে। কিন্তু তিনি এসেও লাভ হয়নি। ততক্ষণে সব শেষ।

তবে অভিনেত্রীর শেষ যাত্রা আজও মনে রেখেছেন অনুরাগীরা। সেই বেনারসি, লাল টিপ, মুখে হাসি। আর সেই ঠোঁটের ফাঁকেই ছিল একটুকরো সোনা। জানেন শ্রীদেবীর ঠোঁটে কেন দেওয়া হয়েছিল এই সোনা? তিনি দক্ষিণভারতের মেয়ে। সেখানে প্রচলিত রয়েছে সধবা নারীদের মৃত্যুর পর তাঁদের মুখে সোনা দেওয়া হয়। সেই রীতি মেনেই এই কাজ করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, হিন্দুরীতি অনুসারে, শবদেহের পঞ্চদ্বারে শ্রেষ্ঠ ধাতু হিসেবে সোনা দেওয়ার প্রচলন রয়েছে।