বলিউডে ছয় দশকেরও বেশি সময় কাটানোর পর নিজের দীর্ঘ অভিনয়জীবনের ডায়মন্ড জুবিলি উদ্যাপন করেছেন হেমা মালিনী। সেই অনুষ্ঠানে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ভবিষ্যতে যদি তাঁর জীবন নিয়ে বায়োপিক তৈরি হয়, তাহলে কোন অভিনেত্রীকে সেই চরিত্রে দেখতে চান। উত্তরে হেমা মালিনী জানান, দীপিকা পাড়ুকোন তাঁর চরিত্রে অভিনয় করলে তিনি খুশিই হবেন। তাঁর মতে, দীপিকা যেমন সুন্দর, তেমনই একজন দক্ষ অভিনেত্রী।
হেমা মালিনী ও দীপিকা পাড়ুকোনের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৫ সালে রামকমল মুখোপাধ্যায়ের লেখা ‘Hema Malini: Beyond the Dream Girl’ বইটির প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দীপিকাই। সেই সময় থেকেই তাঁদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতার কথা একাধিকবার সামনে এসেছে।
দুই অভিনেত্রীর মধ্যে আরও একটি বিশেষ মিল রয়েছে। দীপিকার প্রথম বলিউড ছবি ‘ওম শান্তি ওম’-এ তাঁর শান্তিপ্রিয়া চরিত্রটি অনেকটাই হেমা মালিনীর জনপ্রিয় পর্দা-ইমেজ থেকে অনুপ্রাণিত ছিল। ছবিতে শান্তিপ্রিয়াকে ‘ড্রিম গার্ল’ বলেও উল্লেখ করা হয়, যে পরিচয় বহু বছর ধরেই হেমা মালিনীর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।
ডায়মন্ড জুবিলি অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তাও শেয়ার করেন হেমা মালিনী। তিনি জানান, এই অনুষ্ঠান তাঁর জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে। দর্শকদের ভালোবাসা, অনুষ্ঠানজুড়ে উচ্ছ্বাস এবং তাঁর ছবির গান ঘিরে মানুষের উৎসাহ তাঁকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।
আরও পড়ুনঃ নাবালিকাকে হে’নস্থার অভিযোগে গ্রেফতার লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ধারাবাহিকের নায়ক! পকসো আইনে মামলা দায়ের!
১৯৬৮ সালে ‘সপ্নো কা সৌদাগর’ ছবির মাধ্যমে হিন্দি সিনেমায় যাত্রা শুরু করেন হেমা মালিনী। এরপর ‘সীতা অউর গীতা’, ‘শোলে’, ‘ড্রিম গার্ল’, ‘সত্তে পে সত্তা’, ‘দ্য বার্নিং ট্রেন’, ‘জুগনু’ এবং ‘বাগবান’-সহ বহু জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি নৃত্যশিল্পী, প্রযোজক ও রাজনীতিবিদ হিসেবেও তিনি সমান পরিচিত। ২০২০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘শিমলা মির্চি’ ছবিতে তাঁকে শেষবার বড় পর্দায় দেখা গিয়েছিল।





