বর্তমানে আরজিকর হাসপাতালের (RG Kar Hospital) কান্ড নিয়ে তোলপাড় সাড়া বাংলা। তিলোত্তমার সঙ্গে ঘটে যাওয়ার মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদের গর্জে উঠেছে সাড়া দেশ। প্রতিবাদের হুংকা’র শোনা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায়। কলকাতা শহরতলীতে নেমেছেন আট থেকে আশি সকলেই। নারীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা এবং আর জি করের ভয়ঙ্কর কান্ডের সুবিচার চেয়ে সুর তুলেছিলেন সমগ্র বাংলার মানুষ।
আরজিকরের মহিলা চিকিৎসকের খু’ন এবং ধ’র্ষণের কান্ড কেড়ে নিয়েছিল বাংলার মহিলাদের রাতের ঘুম। এই না’রকীয় ঘটনার প্রতিবাদে নিরাপত্তার আওয়াজ তুলে সারাবাংলার মহিলারা শুরু করেছেন মধ্যরাতে রাস্তা দখলের কর্মসূচি। দিন হোক বা রাত, কলকাতার জায়গায় জায়গায় চলছে প্রতিবাদী আন্দোলন। দো’ষীদের শা’স্তি, নারী সুরক্ষা ও নিরাপত্তার আওয়াজ বর্তমানে নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা বাংলাকে।
রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সামনে প্রতিবা’দী আন্দোলনে নেমেছিলেন ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ও মোহামেডানের সমর্থকরা। যদিও সেইদিন তাদের ওপর লা’ঠি চা’র্জ করে পুলিশ। প্রসঙ্গত, ঘটনার গ্রে’ফতার করা হয় একাধিক ফুটবল সমর্থকদের। এমনকি রাস্তায় নেমেছেন থিয়েটার দলের সদস্য এবং একঝাঁক টলিউড তারকারাও। শুভশ্রী গাঙ্গুলি, শ্রাবন্তী, শ্রীলেখা মিত্র, পাওলি দাম, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, মমতা শঙ্কর থেকে শুরু করে বাংলা বিনোদন জগতের একাধিক অভিনেত্রীরা। দাবি একটাই দো’ষীদের শা’স্তি।

ধ’র্ষকদের কিভাবে শাস্তি দিলেন দেবলীনা দত্ত?
এবার এই প্রসঙ্গেই মুখ খুললেন টলিপাড়ার ডিভা অভিনেত্রী দেবলীনা দত্ত-ও। প্রকাশ করছে ক্ষোভ। সঙ্গে এও বলেছেন তার হাতে ক্ষমতা থাকলে এই অ’মানুষদের সঙ্গে ঠিক কী করতেন তিনি। অভিনেত্রী জানিয়েছেন “আমার হাতে ক্ষমতা থাকলে আমি জনগণের সামনে প্রত্যেকে যারা যারা এই যুক্ত মানে যারা হাতে কলমে ধ’র্ষণ এবং খু’নটি করেছেন শুধু তাদের নয়, যারা যারা তার পরেরদিন তাদেরকে ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এটা বলে যে মেয়েটি আত্মঘা’তী হয়েছিল। এবং এখনও লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদেরকে। সেই প্রত্যেকজন ধ’র্ষক এবং সেই প্রত্যেকজন খু’নি। কারণ তারা ধ’র্ষক এবং খু’নিদেরকে ঢাকা দিচ্ছেন।”
আরও পড়ুন: প্রোমো মুক্তি পেতেই শোরগোল পড়ল নেট দুনিয়ায়! মহালয়ায় গীতার লুক দেখে মুগ্ধ হলেন দর্শক!
অভিনেত্রী এও বলেন “আমি প্রত্যেককে সমানভাবে দোষী সাব্যস্ত করতাম এবং পাবলিক প্লেসে দাঁড় করিয়ে জনগণ দেখতে পাবে এমন কোন শা’স্তি দিতাম। তবে সেটা কোন মৃ’ত্যুদণ্ড দিতাম। কারণ মেয়েটি তো আর বেঁচে নেই। কাজেই ওদেরকেও আমি বেঁচে থাকতে দিলাম না কিন্তু খুবই ক’ষ্টদায়ক কোন একটা মৃ’ত্যুদণ্ড দিলাম। যেটাতে তড়পে তড়পে মা’রা যাবে তারা। এরকম কোন একটা শাস্তি আমি দিতাম যদি আমার হাতে পাওয়ার থাকত।”





