সমাজবাদী পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ জয়া বচ্চন বৃহস্পতিবার কলকাতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। কালীঘাটে পৌঁছলে জয়াকে স্বাগত জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জয়া বচ্চন প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে আবারও মমতার সরকার গড়বে। যদিও নির্বাচনের ফল সেই পূর্বাভাসের সঙ্গে মেলেনি। এরপর ভোটের পর এই প্রথম কালীঘাটে মমতার বাড়িতে তাঁর উপস্থিতি নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অফ হোয়াইট রঙের সালোয়ার কামিজ পরে গাড়ি থেকে নামছেন জয়া বচ্চন। বাড়ির প্রবেশদ্বারে তাঁকে হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন কালীঘাটের বাড়িতে তৃণমূলের আরও কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
এই সাক্ষাৎ নিয়ে জয়া বচ্চন বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও মন্তব্য করেননি। ফলে বৈঠকের উদ্দেশ্য নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক না কি সম্পূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ, তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আরও পড়ুনঃ চলচ্চিত্র প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ! ‘আর কোনওদিন পরিচালকের চেয়ারে ফিরব না…’কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন মহেশ ভাট? জানালেন নিজেই!
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জয়া বচ্চনের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। অতীতেও একাধিকবার তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে। অমিতাভ বচ্চনের বাড়িতেও মমতা গিয়েছেন বিভিন্ন সময়ে। পাশাপাশি জয়া বচ্চন তৃণমূলের হয়ে নির্বাচনী প্রচারেও অংশ নিয়েছেন। সেই পুরনো সম্পর্কের ধারাবাহিকতাতেই এই সাক্ষাৎ হয়েছে কি না, তা নিয়েও নানা জল্পনা চলছে।





