বাংলা টেলিভিশন (Bengali television) জগতে পথ চলা শুরু করে আজ ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দা এবং ওটিটি (OTT) সব মাধ্যমেই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন এমন অভিনেতা অভিনেত্রীদের সংখ্যা কম নয়। তাদের মধ্যেই বিশেষ উল্লেখযোগ্য একজন অভিনেত্রী হলেন মধুমিতা সরকার (Modhumita Sarcar)। তাকে বর্তমানে এক ডাকে সবাই চেনে।
জলসায় বেশ কিছু ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে নিজের জীবনের উপরে ওঠার সিঁড়ি গেঁথে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। মূলত জলসার বোঝেনা সে বোঝেনা ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেই ধারাবাহিকে তার চরিত্রর নাম ছিল পাখি। আর এই চরিত্রটিকে আজও দর্শকরা ভুলতে পারেননি। চরিত্রটি গেঁথে রয়েছে দর্শকদের মনে। তারপর থেকে বড় পর্দা এবং ওটিটি মাধ্যম সবেতেই রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন অভিনেত্রী।
দর্শকদের প্রিয় অভিনেত্রীদের তালিকায় বেশ উপরের দিকেই থাকেন মধুমিতা। তার অভিনয় জীবন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবন, জনপ্রিয়তা প্রাপ্তি থেকে শুরু করে বিবাহ বিচ্ছেদ সবই দর্শকদের নখও দর্পণে। তার প্রতিটি বিষয় নিয়েই বেশ আগ্রহ প্রকাশ করেন তার অনুরাগীরা। যে চেহারা হাজারো ভক্তের মনে দোলা দিয়েছে সেই চেহারাই আজ তাকে সমালোচনার শীর্ষে বসিয়ে দিয়েছে।

সম্প্রতি স্টার জলসা চ্যানেল প্রকাশ করেছে তাদের মহিষাসুরমর্দিনীর প্রথম টিজার ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে কোয়েল মল্লিক, সন্দীপ্তা এবং মধুমিতাকে। প্রতিবছর এই মহালয়ার দেব-দেবীদের দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন দর্শক মহল। এবারেও তার অন্যথা হয়নি। তবে মধুমিতার দেবী রূপ একেবারেই পছন্দ হয়নি দর্শকদের। এর আগেও মহিষাসুর মর্দিনীতে তার অভিনীত দেবী দুর্গার চরিত্র বিশেষ পছন্দ করেননি দর্শক।
দেবী রূপে মধুমিতা বেমানান
টিজার ভিডিও সামনে আসতেই প্রকাশ্যে কটাক্ষ করা শুরু করেছেন দর্শক মহল। কেউ কেউ বলেছেন, “এর থেকে তিয়াসাকে দেবী রূপে অনেক বেশি সুন্দর লাগতো।” আবার কোন কোন দর্শক লিখেছেন, “মধুমিতাকে সমস্ত দেবী রূপেই জঘন্য লাগে।” আবার কোন ভক্তের মতে, “এই অভিনেত্রীকে মহালয়ায় নেওয়া উচিত হয়নি।” টিজার ভিডিওতে দেখানো তার রূপটি এখন সমালোচনার প্রধান বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে দর্শক মহলে।





