টলিপাড়ায় কান পাতলেই এখন বিচ্ছেদের খবর। বর্তমানে যীশু ও নীলাঞ্জনার ঘর ভাঙার খবরে তোলপাড় টলিপাড়া। তারই মাঝে শিরোনামে উঠে আসলেন বাংলা বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেতা ঋষি কৌশিক (Rishi Kaushik)। কিছুদিন আগেই নিজের সামাজিক মাধ্যমের পাতায় একটি রহস্যজনক থুড়ি ইঙ্গিতবহ পোস্ট করেছিলেন অভিনেতা।একটি স্ত্রী দেবযানীর সঙ্গে, অন্যটি তাঁর একার। ক্যাপশনে অভিনেতা লিখেছিলেন, “বিষাক্ত মানুষদের বাদে পৃথিবী খুব সুন্দর।”
কী বলেছেন অভিনেতা ঋষি কৌশিক?
দিন কাটতে না কাটতেই এবার সত্য ঘটনা প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেতা নিজেই। জানা গেল সেই পোস্টের আসল কারণও। যদিও স্পষ্ট করে তিনি কিছুই জানাননি। বরং গল্পের ছলে ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন নিজের কষ্ট। সম্প্রতি নিজের সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন ইষ্টি কুটুম খ্যাত অভিনেতা ঋষি কৌশিক। অভিনেতা সেই ভিডিওতে বলেছেন একটি গল্প। কিন্তু সেই গল্প শুনলে যে কেউ বুঝতে পারবেন সেটা আসলে তাঁরই জীবনে গল্প।

২০১১ সালে দেবযানীর সঙ্গে বিয়ে হয় ঋষি কৌশিকের। তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরতা দেবযানী, অন্য দিকে ঋষি পেশায় অভিনেতা। প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক, তার পরে ১২ বছর আগে গাঁটছড়া বাঁধেন জুটি। অভিনেতা ভিডিওতে বলেছেন “১২ বছর আগে একটি ছেলে ও মেয়ের বিয়ে হয়। যদিও মেয়েটি ও ছেলেটির জীবনযাত্রা একেবারেই আলাদা। তা বুঝতে পেরেই নাকি মেয়েটিকে বিয়ে করতে চাননি সেই ছেলে। কিন্তু নিজেকে বদলে ফেলার আশ্বাস দেন মেয়েটি। এই মর্মেই মেয়েটিকে বিয়ে করতে রাজি হন সেই ছেলে। তবে বিয়ের পর থেকে নিজেকে বিন্দুমাত্র বদলাননি তিনি, বরং তা ক্রমশ বেড়েছে।’’
অভিনেতার কথায়, মেয়েটি বড় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরতা। তিনি তাঁর স্বামীকে নাকি কথায় কথায় চাকরির খোঁটা দেন। স্বামীর উপর সর্ব ক্ষণ খবরদারি করেন, কিন্তু খোঁজখবর নেন না। অভিনেতা আরও বলেছেন “ধূমপান, মদ্যপান, রাত্রে পুরুষ বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি, একেই কি বলে আধুনিকা নারী।” দীর্ঘ ১২ বছর ছেলেটি সব সহ্য করে সংসার বাঁচানোর তাগিদে সবটা সহ্য করে এসেছে কিন্তু আর পারছে না। তার স্ত্রী বাইরে লোকের কাছে নিজেকে লক্ষ্মীমন্ত দেখায়। একই সঙ্গে ইদানিং নাকি সবাইকে বলে বেড়াচ্ছে যে ছেলেটি নাকি মানসিক রোগী হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় ছেলেটির কী করা উচিত বলে জানতে চেয়েছেন অভিনেতা।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই নিজের সোশাল মিডিয়ায় একটি ইঙ্গিতবাহী পোস্ট করেছিলেন তিনি। লিখেছিলেন, “মেরুদণ্ডহীন, আত্মসম্মানহীন, লোভী এবং আপাদমস্তক ভুল মানুষের সঙ্গে পথ চলার চেয়ে সারাজীবন একলা চলা অত্যন্ত সুখ, শান্তি এবং সম্মানের।” সেই থেকেই টলিপাড়ায় শুরু হয়েছিল ঋষি কৌশিকের বিয়ে ভাঙার জল্পনা। এবার অনুমান করা হচ্ছে যে সেই জল্পনাই সত্যি হতে বসেছে।





