দর্শকদের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্টার জলসার (Star Jalsha) ‘অনুরাগের ছোঁয়া’য় (Anurager Chhowa) ফিরে এসেছে সূর্য ওরফে অভিনেতা দিব্যজ্যোতি দত্ত (Dibyajyoti Dutta)। ধারাবাহিকের গল্প যেদিকে মোড় নিয়েছে, তা থেকে স্পষ্ট স্মৃতি হারিয়ে সূর্যের তেজ অনেকটা কমেছে। চরিত্রের নতুন এই শেড পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে কতটা কাঠখড় পোড়ালেন অভিনেতা? দিব্যজ্যোতি জানান,’আমি চাইল্ড সাইকোলজি নিয়ে পড়াশোনা করছি। চেষ্টা করছি তার মধ্যে দিয়ে চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে। ডাইক্টর অনুপমদাই ট্রিকটা ফলো করতে বলেন। “
অভিনেতা আরও বলেন, “শ্যুটের দিন দুই আগে আমাকে জানানো হয় গল্পে সূর্য ফিরে আসছে। তবে আমিও ভাবিনি সূর্য এভাবে ফিরে আসবে! যদিও চরিত্রটা করতে আমি খুব মজা পাচ্ছি।” ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা সূর্যের মতো মানসিক হাসপাতালের সবাইকে আপনজনের মতো করে যত্ন করে।
সমাজ এখনও এমন একটা চল রয়েছে যেখানে মানসিক ভারসাম্যহীন কাউকে দেখলে পাগল বলে কটাক্ষ করা হয়। অনুরাগের ছোঁয়া বার্তা দিচ্ছে, এই ধরনের রোগীর সঙ্গে যেন ভাল আচরণ করা হয়। এ প্রসঙ্গে কী বলছেন অভিনেতা দিব্যজ্যোতি?
আরো পড়ুন: সোনা রুপার ছবি ছাপিয়ে দীপাকে বিপদে ফেলল কাকীয়া! দীপার সব রহস্য জেনে গেলো মিসেস দাস!
অভিনেতার মতে,”সাইকোলজিস্টের কাছে যাওয়া মানে সে পাগল নয়। আমরা যেমন শরীরের যত্ন নিই, তেমন মানসিক চিকিৎসকের কাছে যাওয়া মানে মনের যত্ন নেওয়া।” তাই পাগলাগারদ কথাটির প্রতি তার তীব্র আপত্তি। দিব্যজ্যোতি চান এই ধরনের শব্দ প্রয়োগের বদলে যেন মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
নিজের মনের যত্ন কতটা নেন সূর্য? অভিনেতা বলেন,”আমি বিশ্বাস করি তিন ধরনের চৰ্চার উপর। আত্মিক, শারীরিক ও বুদ্ধির চর্চা। বুদ্ধির চর্চা করতে ভাল গান শুনতে হবে, বই পড়তে হবে, সিনেমা দেখতে হবে, ভাল ইন্টারভিউ দেখতে হবে। আত্মার যত্ন নিয়ে মেডিটেশন করো, ঠাকুরের নাম করো, শরীরচৰ্চা করো, আমি তিনটেই করি রোজ।”





