‘খড়কুটো’ (Khorkuto) ধারাবাহিকে কাজ করতে করতে পরিচয়, প্রেম তারপর প্রণয়। সায়ন্ত মোদক (Sayanta Modak) আর প্রিয়াঙ্কা মিত্রের (Priyanka Mitra) মন দেওয়া-নেওয়ার শুরুটা খানিক এমনই ছিল। তবে সেই প্রেমে টেকেনি। প্রেমের বয়স ছিল মাত্র কয়েকমাস। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে শোনা গিয়েছিল তাঁদের বিচ্ছেদের খবর। দিদি নম্বর ১-এ (Didi No. 1) এসে সায়ন্তর সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙনের শিলমোহরও দিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। তবে চলতি বছরে দিদি নম্বর ১-এ এসে ফের হদিশ দিলেন প্রিয়াঙ্কার নতুন প্রেমিকের।
জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো দিদি নম্বর ১-এর পরিবার সপ্তাহে দাদার সঙ্গে এসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। রচনা ব্যানার্জীকে জানালেন, অভিনেত্রীর নতুন প্রেমের খোঁজ। প্রিয়াঙ্কার দাদা পেশায় একজন ফ্যাশন ফোটোগ্রাফার। তাঁর নিজের একটি স্টুডিয়োও আছে। বোনই দাদার প্রথম মডেল।
দাদা-বোন আর খুনশুটি সমার্থক। বড় ছেলে হওয়ার দরুন ছোট থেকেই বকাঝকা খেতেন শুভংকর। বোনের সঙ্গে ঝগড়াও করেছেন বিস্তর। তবে একে অপরের বেস্টফ্রেন্ড ভাই-বোন। একে অপরের থেকে কিছু লুকিয়ে রাখেন না। তাই বোনের নতুন প্রেমের কথা অজানা নয় দাদার।
সঞ্চালিকা রচনা ব্যানার্জী প্রিয়াঙ্কাকে প্রশ্ন করেন, ‘এখন গুণ্ডাগিরিটা কার উপর করছ?’ তাতে শুভংকর জবাব দেন, ‘আছে ওই একমাত্র…’। পাশ থেকে সামাল দেয় প্রিয়াঙ্কা। দাদাকে থামিয়ে বলে ওঠেন, ‘দাদা। সবকিছু দাদা…’
আরও পড়ুনঃ ‘মনের কথায়’ হাজির নতুন মোড়! পরাগের চাকরি ফেরাতে প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে বিয়ে করে নিল শিমুল!
তবে মানতে নারাজ শুভংকর। মুখের ভাব দেখে বুঝে যান রচনা। বলেন, ‘দাদা ব্যস্ত মানুষ। দাদার উপর গুণ্ডাগিরি সম্ভব নয়। সে কি আমাদের ইন্ডাস্ট্রির মানুষ?’ এতে সহমত দেন প্রিয়াঙ্কা। তাঁদের মা-বাবাও জানেন সবটা। সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে দিদি নম্বরের মঞ্চেও পাশে নিয়ে আসবেন প্রিয়াঙ্কা। ইতিপূর্বে দিদি নম্বর ১-এর মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছিলেন, ‘এর আগে একজন ছিল যে দু মিনিট পরপর ফোন করে জানতে চাইত বাবু খেয়েছো, বাবু কী করছো। এরপর আরেকটা প্রেম করলাম সে আবার গায়েব হয়ে যায় দিনের পর দিন। জানিই না কোথায় আছে। কী করছে। আমি ফোন করছি পাত্তা নেই। এবার ঠিক করেছি যদি প্রেম করি, বিয়ে করি তাহলে সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের সঙ্গে করব।’





