স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গীতা এলএলবি (Geeta LLB)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। বেশ কয়েকবার টিআরপি (TRP) তালিকায় দ্বিতীয়স্থান দখল করেছে গীতা। ধারাবাহিকটির প্রতিটি চরিত্রই যেন মনে গেঁথে গিয়েছে দর্শকদের। তবে গীতার ভূমিকায় অভিনেত্রী হিয়া মুখার্জীর (Hiya Mukherjee) দুর্দান্ত অভিনয় রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছে দর্শকদের। কাহিনীতে একের পর এক চমক, সমাজের একের পর এক নিন্দনীয় প্রতিচ্ছবি পর্দায় তুলে ধরেছে গীতা এলএলবি।
তবে বর্তমানে খানিকটা ঘুরে গেছে ধারাবাহিকের মুখ। শুধুমাত্র সমাজ নয়, এবার সংসারেরও হাল ধরেছে গীতা। আর তারই মাঝে ঘটে যায় এক বিরাট ঘটনা। কেউ বা কারা ছুরি মে’রে পদ্মরানী দাসকে হ’ত্যার চেষ্টা করেছে। সেই পদ্ম যার জন্য এতদিন ধরে লড়াই করছে গীতা। আর সেই কেসটাতেই ধরা পড়েছেন অগ্নিজিৎ মুখার্জী। ইতিমধ্যেই কোর্টে উঠেছে অগ্নিজিৎ মুখার্জীর কেস।

গীতা এলএলবি আজকের পর্ব ২৪ আগষ্ট (Geeta LLB Today Episode 24 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে অগ্নিজিৎ মুখার্জীর কেসের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে গীতা। তারপরই সে মহামান্য আদালতকে বলে তার কাছে প্রমাণ আছে। এরপরই পদ্মর বিয়ের একটি ভিডিও রেকর্ডিং চালিয়ে দেয় গীতা। যা দেখিয়ে সে প্রমাণ করে পদ্ম নিজের আনন্দেই বিয়ের পিঁড়িতে বসছিল। তার সঙ্গেই চালিয়ে দেয় একটি অডিও রেকর্ড। যা থেকে বোঝা যায় পদ্ম নিজেই অগ্নিজিৎ মুখার্জীকে আনন্দের সঙ্গে ফোন করে ডেকেছিল নিজের বিয়েতে।
গীতাকে ধন্যবাদ জানালেন অগ্নিজিৎ মুখার্জী
তবে গীতার প্রমাণ দেখানোর পরও থামেননি ভজন মিত্তির। তবু বলেন পদ্ম অগ্নিজিৎ মুখার্জীকে ভালো মনে নিমন্ত্রণ করলেও অগ্নিজিৎ মুখার্জী পদ্মরানী দাসকে সেখানে মা’রতেই গিয়েছিলেন। তখনই গীতা কাঠগড়ায় ডাকে কমিশনারকে। আর তার কথার ভিত্তিতেই এটা প্রমাণ করে যে অগ্নিজিৎ মুখার্জীকে তিনি ছু’রি চালাতে দেখেননি। তিনি অগ্নিজিৎ মুখার্জীর হাতে ছুরি দেখেছিলেন। এরপরই গীতার অকাট্য যুক্তি এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অগ্নিজিৎ মুখার্জীকে জামিন দিয়ে দেয় কোর্ট।
আরও পড়ুন: স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীন মিঠুনের সঙ্গে প্রেম! ঠিক হয়ে যায় বিয়েও! মুখ খুললেন মমতা শঙ্কর
হাসপাতালে পদ্মর ওপর হল হামলা
এদিকে একজন গুন্ডা হাসপাতালে এসে খুলে দেয় পদ্মর অক্সিজেন মাস্ক, কেটে দেয় স্যালাইনের তার। আর তার জেরেই আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে কিন্তু সেই গুন্ডা হাসপাতাল থেকে বেরোনোর আগেই চলে আসেন প্রলয়। গুন্ডাটিকে আটকানোর চেষ্টা করেন তিনি। তবে প্রলয়কে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায় সে গুন্ডা। তড়িঘড়ি ডাক্তারকে ডাকে প্রলয়। সংবাদটি শুনে চলে আসে গীতাও। আর তারপরই সে চড়াও হয় কমিশনারের ওপর। কমিশনারও গীতার অপমান করেন। তবে প্রলয় বুঝতে পারে যে গীতা এবং কমিশনারের মধ্যে ঝামেলা বাধাতে চাইছে একজন। আসল দোষীকে ধরে অগ্নিজিৎ মুখার্জীকে কি বাঁচাতে পারবে গীতা? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।





