বন্ধুর বাবার নাম জানতে বিরাট কান্ড ঘটাল রুপা! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

এক মেয়ে নিজের মাকে সব সময় দূরে সরিয়ে দিতে চায়, আরেক মেয়ে মাকে খুঁজতে নিজের প্রাণ অব্দি দিতে পারে। স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকটি এমন একটি গল্প বর্তমানে উপস্থাপন করছে। এই ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা বরাবর অনেক কষ্ট সহ্য করেছে আর এখনো সহ্য করে চলেছে। দেখতে দেখতে আড়াই বছর পূর্ণ করে ফেলেছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দীপা বেশ অদ্ভুত এক পরিস্থিতির মধ্যে আটকে পড়েছে। যেখানে সে তার স্বামী এবং সন্তানকে দেখতে পাচ্ছে কিন্তু তাদের কাছে যাওয়ার কোন অধিকার নেই তার কারণ তার নিজের মেয়ে তাকে পছন্দ করে না। অন্যদিকে মন থেকে চাইলেও সূর্য নিজের স্ত্রীয়ের কাছে যেতে পারছে না কারণ তার মেয়ে তার মাকে নিজের জীবনে যায় না। এদিকে সবাই চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে আপন করে নিতে পারছে না জয়ী কারণ সে জানেই না তার আশেপাশেই রয়েছে তার পরিবার।

Anurager Chowa, Star jalsha, Bengali serial, Bengali television, অনুরাগের ছোঁয়া, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anurager Chowa Today Episode, Anurager Chowa Today Episode 13 November, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৩ নভেম্বর, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৪ নভেম্বর (Anurager Chowa Today Episode 14 November)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, দীপা তার দেওর জয়, বোন উর্মি আর দীপের জন্য জলখাবার তৈরি করছে। এরপর সেখান থেকে উর্মি আর তার ছেলে চলে গেলে দীপা জয়কে বলে, “তুমি আগের দিন আমাকে যা যা বলেছ স্যারের সামনে সেটা একদম ঠিক করনি। আমি এখানে আছি মানে এটা নয় যে তোমার সমস্ত অপমান মেনে নেব। মেয়ে হোক বা দেওর আমি কিন্তু কারোর কোন অপমান অহেতুক কথা সহ্য করব না।” এরপর উর্মি জয়ের হয়ে দীপার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়।

এর মাঝে দীপা সূর্যকে ফোন করে আর বলে, “আপনি তো জানেন আপনার ছোট ভাই এখানে এসেছে। আপনার ওর সাথে কথা বলা দরকার। ওর হয়তো আপনাকে প্রয়োজন। ওলি আপনার মেয়ে আমি জানি। কিন্তু জয়ও তো আপনার ভাই, ওকে তো আপনি কোলে পিঠে করে মানুষ করেছেন। আপনার একটা দায়িত্ব আছে। আর ও তো আপনার স্ত্রী নয় যে ডিভোর্স দিয়ে দূরে সরে যাবেন।” দীপা বুঝতে পেরেছিল জয়ের সূর্যকে প্রয়োজন। তাই সে কাজটা একটু এগিয়ে দিল সে।

রুপার মুখোমুখি সূর্য

এদিকে জয়ী ভীষণ রকম ভাবে চেষ্টা করছে ওলির বাবা কে সেটা জানার। যখন থেকে এসে জানতে পেরেছে উনি একজন ডাক্তার তখন থেকেই জয়ীর মনটা ছটফট করছে। কিন্তু কোনভাবেই সে জেনে উঠতে পারছে না তার বাবার নাম তার বাবার পরিচয়। সে নিজের বন্ধুর বাড়ি চলে যায় তার বাবার গলার আওয়াজটা একবার শোনার জন্য। কিন্তু সেখানেও বাধা পড়ে। কিছুতেই সে বুঝতে পারে না কে এই ব্যক্তি। আজকে যদি একবার বুঝতে পারে যে ওলিই সোনা, তাহলে হয়তো সে তার মায়ের খোঁজ পাবে। এই আশাতেই বসে রয়েছে জয়ী।