কথায় আছে অ’হংকার প’তনের মূল কারণ। আর এই অ’হংকার করেই আজ একেবারে ডুবে গেল স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপার এক মেয়ে সোনা অর্থাৎ সোনা। বাবার শিক্ষায় বেড়ে ওঠা সোনা মায়ের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা রূপার কাছে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়ল। আড়াই বছর বয়স ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে এই ধারাবাহিকের। বর্তমানে জমে উঠেছে ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি প্লট।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সোনা, প্রথম থেকেই খুব আনন্দে ছিল কারণ সে ভেবেছিল সবকটা পুরস্কার সে পেতে চলেছে। কোন একটাও তার হাতছাড়া হতে পারে না। সে পুরস্কার পাবে আর সবাই তার ছবি তুলবে। সব মিলিয়ে বেশ উত্তেজিত ছিল সোনা। কিন্তু সেই সব কিছু এক নিমেষে এভাবে বদলে যাবে সেটা হয়তো ভাবতেও পারেনি সে। তার অ’হংকার ভে’ঙে টুকরো টুকরো করে দিল জয়ী সরকার।

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৫ অক্টোবর (Anurager Chowa Today Episode 15 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সোনা অপেক্ষা করে বসে থাকে কখন সমস্ত সাবজেক্টে সবার চাইতে বেশি নম্বর পাওয়ার জন্য তার নাম ডাকা হবে। কিন্তু অংক থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা সাবজেক্টে প্রথম হওয়ার জন্য নাম ডাকা হয় জয়ীর। সবকটা পুরস্কার পায় সে একাই। যেটা দেখে একেবারে সহ্য করতে পারে না সোনা। সে এক জায়গায় বসে থাকতে না পেরে বাইরে বেরিয়ে যায়। কিন্তু সূর্য অপলক দৃষ্টিতে রুপার দিকে চেয়ে থাকে। এক অদ্ভুত টান সৃষ্টি হয় তার রুপার প্রতি।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষ হলে, সঞ্চালিকা জানায় এরপর একটা কুইজ প্রতিযোগিতা হবে। তিনি বলেন জয়ী চাইলে নাও অংশ নিতে পারে। কারণ জয়ী চোখে দেখতে পায় না। কিন্তু সোনা উঠে দাঁড়িয়ে বলে, এই প্রতিযোগিতায় তাকে অংশ নিতেই হবে। যদি অংশ না নেয় তাহলে আগের পাওয়া পুরস্কারগুলো যথাযথ বলে রাজ্য করা হবে না। তখন জয়ী বলে সেই অংশ নেবে। এরপর শুরু হয় কুইজ প্রতিযোগিতা।
আরও পড়ুনঃ ধারাবাহিক শেষ হতেই সম্পর্কে ইতি! করলেন আনফোলো! হারিয়ে গেল প্রিয় জুটি
সোনা এবং রুপা দুজনেই দুজনকে একেবারে হাড্ডাহাড্ডি টক্কর দেয়। তবে সোনার চাইতে রুপার ঝুলিতেই বেশি নম্বর আসে। জানা জানা প্রশ্ন ভুল করে সোনা। অন্যদিকে একদম যথাযথ উত্তর দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নেয় রূপা। অন্যদিকে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে দীপা। তার মনটা উথাল পাথাল করতে থাকে। তার মনে হতে থাকে তার সমস্ত প্রিয়জন এখানেই রয়েছে। সবাইকে একসাথে সে পেতে পারে। কিন্তু ভেতরে ঢুকতে পারেনা সে। তবে কি এখানেই মিলে যাবে চারটে জীবন?





