দীপার আঁচল ধরে মা বলে ডেকে উঠল রুপা! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star jalsha) ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ (Anurager Chowa)। বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প একঘেয়ে হয়ে ওঠার কারণে দর্শকমহলের ততটা আর জনপ্রিয় নয়। শুরুর দিকে এই ধারাবাহিকের যতটা জনপ্রিয়তা ছিল বর্তমানে তার অনেক কমে গিয়েছে। বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প লিপ নিয়ে পাঁচ বছর এগিয়ে গিয়েছে। ধারাবাহিকটি শেষ দুবছর ধরে চলছে টেলিভিশনের পর্দায়।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বেই দেখানো হয়েছে সোনার সঙ্গে দীপার দেখা হবার পর থেকেই সোনা অস্বস্তির মধ্যে রয়েছে। এতবছর পর তার মা আবার তার সামনে এসে যাওয়ায় পুরোনো সব স্মৃতি তার মনে আবার ভেসে উঠেছে। এদিকে সূর্যর বারবার মনে হতে থাকে দীপা তার আসে পাশেই রয়েছে। এদিকে সোনা তার মাকে ভোলার জন্য চারুকে নিজের মা বানাতে চায়। সে তার বাবার সঙ্গে চারুর বিয়ে দিতে চায়। দীপা যে রেস্টুরেন্টে কাজ করে সেই রেস্টুরেন্টে সবাই জানতে পারে মায়ের ছোঁয়া চ্যানেলে যে মহিলা রান্না করত সে আর কেউ নয় দীপা।

Anurager Chowa, Star jalsha, Bengali serial, Bengali television, অনুরাগের ছোঁয়া, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anurager Chowa Today Episode, Anurager Chowa Today Episode 2 October, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ২ অক্টোবর, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ৩ অক্টোবর (Anurager Chowa Today Episode 3rd October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে যে সূর্য মায়ের ছোঁয়া চ্যানেলে দীপার হাত দেখে চিনতে পারে। সে মনে মনে ভাবতে থাকে দীপার হাত চিনতে তার এত বড় ভুল হতেই পারে না। এদিকে চারু সোনার জন্য ওই মায়ের ছোঁয়া চ্যানেল দেখে রান্না করতে থাকে। কিন্তু সোনা বারবার নিজের মায়ের জড়িয়ে ধরার কথাই মনে করতে থাকে। আর ভাবতে থাকে কি করে নিজেকে তার মায়ের থেকে দূরে রাখবে। কিন্তু সূর্য বুঝে উঠতে পারে না কি করে দীপার হাতের সাথে ওই চ্যানেলের মহিলার হাতের মিল থাকতে পারে। এরপর চারু বলে এই চ্যানেলের মহিলার সাথে ওই বিগ বংয়ের মহিলার মিল রয়েছে যার সাথে চারুর আলাপ হয়েছে। সূর্য তখন ভাবতে থাকে মুম্বাই শহরে কি করে দীপা আসবে সে নিজের মনকে আবারো বোঝাতে থাকে।

অন্যদিকে দীপার রান্না করা খাবার খেয়ে রেস্টুরেন্টের সবাই তো বেশ প্রশংসা করে। সকলেই হাসাহাসি করে আনন্দ করে খেতে থাকে। আর রেস্টুরেন্টের মালিক শাক্য স্যারের বদমেজাজ এর বদনাম করতে থাকে। আসলে রেস্টুরেন্টের যিনি মালিক শাক্য তিনি মন থেকে ভীষণই ভালো। কিন্তু বাইরে থেকে দেখায় তিনি ভীষণ রাগী, কড়া। কিন্তু সকলের জন্যই ভাবেন। ঠিক সেই সময় পেছনে এসে দাঁড়ায় স্যার। সবাই কাজ ফেলে হাসাহাসি করে গল্প আড্ডা করছে দেখে তিনি তো ভীষণ রেগে যান। দীপা আর সমস্ত কর্মচারীকে কথা শোনাতে থাকে।

ওদিকে চারুও সোনার জন্য খাবার বানিয়ে নিয়ে যায়। সোনাকে খাওয়ানোর জন্য মায়ের ছোঁয়া চ্যানেল থেকে দীপার মতো করে সুন্দর খাবার বানায় সোনার জন্য। সোনা সেই খাবার দেখে প্রথমে ইতস্তত বোধ করল পরে চারু বানিয়েছে শুনে খাবার খেয়ে নেয়। এদিকে শাক্য স্যার কার যেন একটা ফোন পেয়ে হন্তদন্ত হয়ে রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার নিয়ে বেরিয়ে যায়। দীপার মনে প্রশ্ন ওঠে কে রয়েছে স্যারের জীবনে যাকে এত ভয় পেয়ে চলেন তিনি। যদিও দর্শকের কাছেও এখনো এই বিষয়টা অস্পষ্ট, ধীরে ধীরে জানা যাবে সমস্ত কিছু।