মানুষ নিজের স্বার্থে গিরগিটির চাইতেও আরও তাড়াতাড়ি রং বদলাতে পারে। নিজের কথাবার্তা এবং কাজকর্মের মধ্যে দিয়ে এটাই প্রমাণ করে দিল জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের বাস্তব কেন্দ্রিক ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) -র নায়িকা শিমুলের শাশুড়ি মধুবালা। যখন যার কাছে লাভ পাওয়া যায় তখন তার কাছেই নিজেকে সমর্পণ করে মধুবালা। অন্যের বিপদ দেখেও চোখ বন্ধ করে থাকে সে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এর আগেও বহুবার এরকম ভাবেই শিমুলকে অবিশ্বাস করেছে সে। আর প্রত্যেকবার ভুল প্রমাণিত হয়েছে মধুবালা। কিন্তু তারপরেও সভাব যায়না তার। আর এই সভাব থেকেই বারবার একই ভুল করে বসছে সে। তবে এইবার এর কোনো ক্ষমা যে মধুবালা পাবে না সেটা নায়িকার কোথায় স্পষ্ট। কারণ একটা মানুষকে একবার ক্ষমা করা যায় দুইবার ক্ষমা করা যায় কিন্তু বারবার ক্ষমা করা যায় না।
কার কাছে কই মনের কথা আজকের পর্ব ১৫ মে (Kar kache koi moner kotha Today Episode 15 may)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কোর্টে শিমুলের বান্ধবীরা শিমুলের হয়ে অনেক কথা বলে। এরপর সেই দিনের মতন সেখানেই শুনানি শেষ হয়। বাড়ি ফিরেই প্রতীক্ষা মধুবালার কান ভাঙাতে শুরু করে। এরপর শিমুলকে যা নয় তাই বলে মধুবালা। এমন কিছু কথাবার্তা শিমুলকে মধুবালা থেকে শুনতে হয় যেগুলো শুনে রীতিমতো অবাক হয়ে যায় শিমুল। সে মধুবালাকে বোঝানোর চেষ্টা করে, প্রতীক্ষা তার মনে বিষ ঢালছে। এর আগেও ওরা অন্যায় করেছে আর এখনও করছে। তাই ওদের কথায় এতটা কান যেন মধুবালা না দেয়। কিন্তু মধুবালা শিমুলের কোন কথা শুনতেই বিশেষ আগ্রহী নয়।
মধুবালাকে নতুন করে চিনছে শিমুল
এই কেসটা বন্ধ করতে এখন শিমুলকে দোষারোপ করে মধুবালা। সে বলে, শিমুল ইচ্ছে করে এই সমস্ত ঝুট ঝামেলার মধ্যে যাচ্ছে যাতে পরাগের চিকিৎসাটা না করতে হয়। মধুবালা নাকি হেডমাস্টারের কাছে গিয়ে বলবে শিমুল চাকরিটা নিয়েছে কিন্তু দায়িত্ব পালন করছে না। এটা শুনে শিমুল রীতিমতো অবাক হয়ে যায়। এছাড়াও মধুবালা বলে শিমুলের তো সন্তান নেই তাই সে এই জ্বালাটা বুঝবে না। শিমুল সব শুনে বলে, এরপর আর সে মধুবালাকে আর কোনদিনও ক্ষমা করবে না।
আরও পড়ুন: ছেলেধরার হাত থেকে সোনা রুপাকে বাঁচালো দীপা! পাগলা গারদ থেকে পালিয়ে গেলো সূর্য
এইবার পদক্ষেপ নেবে পরাগ
শিমুলের প্রতিবেশী বান্ধবীরা অর্থাৎ বিপাশা শীর্ষা সুচরিতা সবাই মিলে পরাগকে বলে, এইবার তাকে শিমুলের পাশে দাঁড়াতেই হবে। কেউ জানুক বা না জানুক সে তো জানে শিমুল কারোর ক্ষয় ক্ষতি চায়নি। পরাগ তখন বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়ে। শিমুল বলে সে নিজেই সবটা সামলে নেবে এর মধ্যে পরাগকে টানার কোন দরকার নেই। পরাগ মনে মনে ভাবে, এবার সময় এসে গিয়েছে তার মুখ খোলার। এইবার তাকে আসল সত্যিটা সবার সামনে প্রকাশ করতেই হবে। কারণ সত্যিই তার মা দিন দিন আরো বেশি শিমুলের ওপর অত্যাচার শুরু করেছে।





