জি বাংলার বর্তমানে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ‘নিম ফুলের মধু’। যেখানে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা এবং অভিনেতা রুবেল দাসকে। পর্নার সৃজন এবং সৃজনের মাকে নিয়ে গল্প বেশ ভালোই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল কয়েক মাসের মধ্যেই। হাসি মজা দুঃখ আনন্দ সবকিছুই এই গল্পে বেশ ভালোভাবেই ফুটিয়ে তোলা হচ্ছিল। পর্নার সৃজনের জুটি ও কয়েকদিনের মধ্যেই দর্শকের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। দিনে দিনে সৃজনের চরিত্রটি যে দর্শকের কাছে অপছন্দের হয়ে উঠছে তা বলাই চলে। বিশেষ করে সম্প্রতি দিনে যেসব ঘটনা ঘটছে তাই নিয়ে আরও বেশি করে মন্তব্য দর্শকদের।
প্রসঙ্গত গল্পের প্রথমে দেখা গিয়েছিল সৃজন এবং পর্নার বাড়ি থেকে সম্বন্ধ করে বিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সৃজনের মায়ের এই বিয়েতে একেবারেই মত ছিল না। তার কারণ তার মনে হয়েছিল যে আধুনিক বউমা এসে তার ছেলেকে তার থেকে আলাদা করে দেবে। যার জন্য তিনি প্রথম থেকেই বৌমার একেবারে প্রতিপক্ষ হয়েছিলেন। ভালো কাজ করলেও তাকে কখনোই ভালো কথা বলতে শোনা যায়নি সৃজনের মাকে। প্রথমদিকে অবশ্য সৃজন নিজের মাকে অন্ধের মত বিশ্বাস করলেও মাঝে নিজের বউয়ের প্রতি অত্যন্ত ভালোবাসা দেখিয়েছিল সে যার জন্য তাকে পছন্দ করতে শুরু করেছিল দর্শকরা।
কিন্তু যবে থেকে পর্না চাকরি করতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বা চাকরি করছে তবে থেকেই সৃজন চরিত্রটি আবার অন্যরকম হয়ে উঠছে। সম্প্রতি দেখানো হয়েছিল পর্নার এক সিনিয়রকে নিয়ে সৃজন তাকে সন্দেহ করে এমনকি তার চাকরি সূত্রে বাইরে যাওয়া পর্যন্ত সে মেনে নিতে পারে না। আবার উল্টোদিকে সৃজনের মা তার বৌদিকে দিয়ে ভন্ড সাধিকা সাজিয়ে সৃজনের তার বৌদির বোনের সঙ্গে বিয়ের প্ল্যান করে। আর সৃজনও নিজের মায়ের কথা চুপ করে মেনে নিয়ে বিয়ের পিড়িতে বসে পড়ে তিন্নির সঙ্গে। যা দেখে রীতিমতো ক্ষেপে লাল দর্শকরা।
প্রসঙ্গত পর্না চরিত্রটি প্রথম থেকেই দর্শকের কাছে অত্যন্ত প্রিয় একটি চরিত্র। তাকে প্রথম থেকেই দেখানো হয়েছিল ন্যায় পরায়ন, প্রতিবাদী, স্পষ্টবাদী। এবং শ্বশুরবাড়িতে তাকে অসম্মান না করেই নিজের কথাটা সে স্পষ্ট ভাবে বলে দিত যেটা দেখে মানুষ বাস্তব সমাজে অনেক মিল পেয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনা দেখে দর্শকরা আর পর্নাকে সেভাবে ঠিক বলে মনে করছেনা। দর্শকদের মত যদি বিশ্বাস নাই করে থাকে সৃজন পর্নাকে তাহলে পর্নার এক্ষুনি বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত।

এই নিয়ে এক নেটিজেন লিখেছেন,” সৃজন তো সৃজনই এই ছেলেটা মনে করে যতখুশি অন্যায় করবো , খারাপ কথা বলবো আর তারপর ক্ষমা চাইলেই বললে সব চুকে গেলো ….. ও যখন জানতে পারলো ও pornar বিয়ের ছবি দেখে বিশ্বাস করে ভুল করেছিল , ও তিন্নির সাথে বিয়ের পিঁড়িতে বসে ভুল করেছিলো তখন ওর লজ্জায় পর্নার মুখোমুখি হওয়াই উচিত না । কিন্তু ও ভাবলো সরল সরল মুখ করে “ভুল হয়ে গেছে ” বললেই সব সহজে মিটে যাবে …
আর রইলো বাকি পর্নার কথা — পর্ণা আজকে বাড়ির সবকটাকে ধুয়ে দিলো, সৃজনকে যেভাবে জবাব দিলো ,, বিশেষ করে এই লাইনটা — ” অর্ধবিশ্বাস বলে কিছু হয়না সৃজন , হয় পুরোপুরি বিশ্বাস করা যায় আর নয়তো অবিশ্বাস করা যায় ” — এইসব ডায়লগ গুলোর পর এবং যেটা ঘটলো তার পর পর্না ওই বাড়ি ছেড়েই চলে যাওয়া উচিত ছিল , অন্তত চলে যাওয়ার কথা তো ভাবতে পারতো,, কিন্তু তা না করে থাম্মির ঘরে থাকতে গেলো। আর থাম্মীটাকেও অসহ্য লাগে , যখনই কিছু হবে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে পর্নাকে আটকে দেব।”





