শুরুটা আলাদা হলেও একই গল্প ‘মেয়েবেলা’য়! সেই প্রাক্তন প্রেমিকাকে ভিলেন আর মাকে ছেলে বউয়ের সম্পর্কের চির শত্রু না বানালেই হচ্ছিল না? মেয়েবেলার সম্প্রতি ট্র্যাক দেখে বিরক্ত দর্শক

‘মেয়েবেলা’ ধারাবাহিকটি মাত্র কয়েকটা দিনের মধ্যেই দর্শকমহলের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।ধারাবাহিকের ট্যাগলাইনও দেওয়া হয়েছে মানানসই ‘মেয়েরাই মেয়েদের শত্রু’। আসলে আমাদের সমাজে বহুকাল আগে থেকে একটা ধারণা চলে আসছে, তা হল মেয়েরাই মেয়েদের শত্রু। চিরাচরিত এই ধারণার বদল ঘটাতেই আসছে সম্পূর্ণ নারী কেন্দ্রিক ধারাবাহিক ‘মেয়েবেলা’।

ধারাবাহিকের প্রথমেই বিয়ের পর্ব এনে মোড় ঘোরানো হয়। আর সেখান থেকেই শুরু নায়ক-নায়িকার পথ চলা। যদিও দুজনেই পরিস্থিতির চাপে পরে বিয়েতে রাজি হয়েছে। তবে এই সংসারের বন্ধনে কিভাবে তারা একে ওপরের সাথী হয়ে উঠবে তাই দেখার। পাশাপাশি গল্পের মেন নায়িকা মৌ-এর জন্য পুরো পরিবারের মেয়েরা আবার নতুন করে জীবনের অর্থ খুঁজে পাবে।

Bengali television, meyebela, Star Jalsha

কিন্তু এবার মেয়েবালা ঠিক কতদিন দর্শকদের প্রিয় থাকবে তা নিয়ে সংশয় দেখা যাচ্ছে। কারণ ঠিক যে বিষয়গুলির জন্য মেয়ে বেলাকে এতটা পছন্দ করা হতো অর্থাৎ এই শাশুড়ি বৌমার মধ্যে ঝামেলা একটা ছেলের জীবনে দুটো বউ, সাংসারিক কুট কচলী সবকিছুই আস্তে আস্তে ঢুকছে এই ধারাবাহিকে। যারা ধারাবাহিক দেখেন, তারা জানেন বীথি তাঁর বৌমা মৌকে সহ্য করতে পারেনা, সবসময় তার বিপক্ষে যায়। সে যেটাই করে সেটাই সহ্য হয়না। আর তাই ছেলের পাশে একদম দেখতে পারেননা। এই নিয়ে কম ট্রোল হননি এই চরিত্র। সাম্প্রতিক এপিসোডে এমন এক ঘটনার সম্মুখীন হল দর্শকরা, যা দেখে আবার ট্রোলের মুখে পড়ল এই বীথি চরিত্র।

মিত্র বাড়ির মেয়ে টিকলি, তার সাথে যা হয়েছে সেই সব অন্যায়ের শাস্তি দিতে পরিবারের পাশে দাঁড়ায় মৌ। পিশেমশাইকে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানায়। তাঁর সব অপরাধ সবার সামনে প্রমাণ করে দেবেন। আর এই বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানো দেখে হয়ত বীথি এবার মৌয়ের প্রতি নরম হবে। কিন্তু তা আর হলনা। উল্টে মৌকে বাড়ি থেকে তাড়াতে উদ্যত হন।

মেয়েবেলা নিয়ে এখন যথেষ্ট বিরক্ত হচ্ছেন দর্শকরা। এক নেটিজেন এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন – ‘যেটা ভেবেছিলাম সেটাই হবে..বিথীর সাইকোগিরি আর ব্রেনওয়াস-এ প্রভাবিত হয়ে চাঁদনী একদিন নেভেটিভ হবেই হবে। এখন থেকেই চাঁদনী চরিএটা নষ্ট হওয়া শুরু হয়ে গেছে। মিশকা বা রোহিনীর মতো খুনি ভিলেন না হলেও নেভেটিভিটি আসবে চরিএে (মৌ-এর আগের বিয়ে নিয়ে বিথী আর চাঁদনী অনেক কিছু করবে) আর বিথী প্রথম দিন থেকেই সাইকো। ওনার মনের মতো কিছু না হলেই বিপরীত মানুষটা খারাপ। ছেলের প্রতি ভালোবাসার থেকে প্রখর অধিকারবোধ। আর সত্যি বলতে এরকম চরিত্র খুবই বাস্তব। সবাই নিজেদের বাস্তব জীবনে বিথীর মতো একটা পিস নিশ্চয়ই দেখেছে নিজেদের পরিবারে বা আশেপাশে। এরকম অনেক ছেলের মা আছে যারা এসব করে.একমাএ সন্তানের ক্ষেএে এটা আরও বেশি দেখা যায়। একদিন বিথীর উওরন হবে কিন্তু সেটা করার আগে চরিএটাকে অত্যাধিক নীচে না নামায়।