ধারাবাহিকে অভিনয়ের আগে তিনি মূলত নাটক, থিয়েটার করতেন। ‘এই পথ যদি শেষ না হয়’-এর হাত ধরে তাঁর ধারাবাহিকের জগতে প্রথমবার পা রাখা। সেই ধারাবাহিকটি (serial) বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ‘সাত্যকি’র চরিত্রে অভিনয় করে এক লহমায় দর্শকের মন জয় করে নিয়েছিলেন ঋত্বিক মুখোপাধ্যায়। কিছুদিন আগেই ‘এই পথ যদি শেষ না হয়’ ধারাবাহিকের পথ চলা শেষ হয়। এতে ঋত্বিকের ভক্তরা খুবই দুঃখ পেয়েছিলেন।
তাঁর বিপরীতে রয়েছেন ‘আয় তবে সহচরী’-খ্যাত অরুণিমা। জুটি হিসেবে ঋত্বিক-অরুণিমা এই প্রথমবার ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন। নতুন এই ধারাবাহিকটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন ‘নেতাজী’, ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘ভক্তের ভগবান শ্রীকৃষ্ণ’ ইত্যাদি বহু জনপ্রিয় ধারাবাহিক-খ্যাত পরিচালক অমিত দাস।
‘মন দিতে চাই’ নামটি শুনেই মনে হচ্ছে মূলত এটি রোমান্টিক ধারাবাহিক। এটি অন্যান্য ধারাবাহিক থেকে কতটা আলাদা? সে প্রশ্ন করতেই পরিচালক অমিত বললেন, ‘দেখুন ধারাবাহিকের গল্পের ক্ষেত্রে অনেক সময় আমরা বলি যে দর্শকদের নতুন স্বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমি কিন্তু সে রকম বিশ্বাস করি না। সব ধারাবাহিকে রোমান্স, বিচ্ছেদ দুইই থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। এখানে মুখ্য দু’টি চরিত্র।
ধারাবাহিকের নায়িকা তিতির। মেদিনীপুরে ঘাটালের মেয়ে। সে নামী ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়ার স্বপ্ন দেখে। তারা চার বোন। মা সেলাইয়ের কাজ করেন। বাবা বাসের কন্ডাক্টর। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে একটু দুর্বল হলেও পরিবারের সকলে একে অপরের সুখ দুঃখের সাথী। তাদের নিজেদের মধ্যে ভীষণ মিলমিশ রয়েছে। নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যেও বাড়িতে সেলাইয়ের মেশিনে নানা রকম অর্ডার নিয়ে কাজ করে তিতির। সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা করে সে।
এদিন এই ধারাবাহিকে দেখানো হয়, চার বোন একে অপরের মাথায় তেল মালিশ করে দিচ্ছে। আর তাই দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন দর্শকরা। ধারাবাহিকের প্রধান দর্শক হলেন মূলত মা ঠাকুমা এবং গৃহিণীরা। এনাদের ছোটবেলায় এমন দৃশ্য ক্রাশই দেখা যেত যা এখন বিরল। নিজেদের ছোটবেলাকে নতুন করে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরে দেখা সম্ভব হল এই ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে। যার দরুন বেশ সন্তুষ্ট দর্শকমহল।





