যে কিনা বিয়েতেই বিশ্বাস করত না সে বলছে,”ম্যারেজে ইস আ বিউটিফুল ইনস্টিটিউশন”! সিদ্ধার্থর মুখে এমন কথা শুনে খুশি ভক্তরা

বাংলা টেলিভিশনে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো মিঠাই। জি বাংলার এই ধারাবাহিকটি প্রায় দু বছরের বেশি সময় ধরে টিভির পর্দায় জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া খুললে এখনো সিদ্ধার্থ এবং মিঠাইয়ের জুটির কাছে কোন জুটি ঠাই পায় না বাংলা টেলিভিশনে। তবে মিঠাই ধারাবাহিকটি যে শুরুর প্রথম থেকে শুধু সিদ্ধার্থ এবং মিঠাইয়ের জুটির জন্যই জনপ্রিয় ছিল এমনটা নয়। সেই জুটির পাশাপাশি এই ধারাবাহিকের গল্প এবং যৌথ পরিবার অত্যন্ত আকর্ষণ করত দর্শকদের। মানুষের কাছ থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছে মিঠাই আজ শেষ হয়ে যাওয়ার জল্পনা উঠলেও হয়তো ভক্তদের চোখে জল চলে আসে।

তবে সে জল্পনার মধ্যেও মিঠাই ধারাবাহিকে এই মুহূর্তে যে ট্র্যাক চলছে তা মানুষের অত্যন্ত পছন্দ হচ্ছে। মানুষের জীবন পরিবর্তনশীল তাই মানুষ প্রতিটা পদে পদে কিভাবে পরিবর্তন হয় আর তাকে ভালোবাসার মানুষরা পরিবর্তন কিভাবে করে ফেলে তার প্রত্যক্ষ উদাহরণ রয়েছে এই ধারাবাহিকে। প্রসঙ্গত এখানে সিদ্ধার্থের চরিত্রটির কথা বলা হচ্ছে। সিদ্ধার্ত অর্থাৎ মিঠাই ধারাবাহিকের নায়ক যে শুরুর প্রথমদিকে একেবারে রুক্ষ কর্পোরেট অফিসে চাকরি করা একটি ছেলে ছিল যার সঙ্গে বাড়ির প্রত্যেকটি সদস্য সম্পর্ক সেভাবে মধুর ছিল না।।

কিন্তু হঠাৎ করেই তার জীবনে চলে আসে মিঠাই। যে ছেলেটা বিয়েতে কখনো বিশ্বাসই করেনি সেই ছেলেটার সঙ্গে ঘটনাচক্রে বিয়ে হয়ে যায় গ্রামের সেই মিষ্টি মেয়েটার। প্রথম থেকে কিভাবে সে সিদ্ধান্তকে পাল্টে ফেলেছে তা সামনেই ঘটেছে দর্শকদের। যার জন্য মিঠাই সিদ্ধার্থ জুটি হয়তো দর্শকদের কাছে অত্যন্ত কাছের। বাড়ির সকলের সাথে আবার স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরে এসেছিল সিদ্ধার্থ সেইসঙ্গে বাড়ির ব্যবসায় যোগ দেয় এবং তার বাবার সঙ্গেও সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর হয়ে ওঠে এসব কিছু ঘটেছিল মিঠাইয়ের জন্য।

আর এত কিছুর মধ্যে থেকে আস্তে আস্তে সিদ্ধার্থ মিঠাইকে ভালোবেসে ফেলে আর এতটাই ভালোবেসে ফেলে যে তা এখন পর্দায় ফুটে ওঠে। নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করা থেকে শুরু করে মিঠাইয়ের জন্য এতগুলো বছর হাহুতাশ করা এই সব কিছুই দর্শকদের চোখের সামনে ঘটেছে। কিন্তু সম্প্রতি ধারাবাহিকে সিদ্ধার্থের মুখের একটি সংলাপ দর্শকদের অত্যন্ত আবেগপ্রবণ করে দিয়েছে। আর সেই সংলাপ নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। এখন গল্পে দেখা যাচ্ছে রাতুল এবং শ্রীতমার মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে এসেছে পায়েল মেয়েটি। যার পর্দা ফাঁস করার চেষ্টা করছে গোটা হল্লা পার্টি।

আর সেখানেই সিদ্ধার্থ শ্রীতমাকে বলে যে ‘বিয়েটা কখনো ভাঙতে দিস না কারণ “ম্যারেজে ইস আ বিউটিফুল ইনস্টিটিউশন”। এত খুব সুন্দর বন্ডিং যেটা এত সহজে ভেঙে ফেলা যায় না।’ আর এই কথাগুলো শুনেই দর্শকরা বলছে যে মিঠাইয়ের উচ্ছে বাবুর মুখে তারা কখনো এমন কথা শুনবে কেউ স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। যে মানুষটা বিয়ে রিচুয়াল এসব বিশ্বাসই করত না সে কিনা আজকে বিয়ে নিয়ে এত সুন্দর একটা কথা বলে দিল। তাই জন্যই হয়তো মিঠাই এবং সিদ্ধার্থ এই দুটো জুটি দশকের কাছে ঠিক একসাথে অত্যন্ত পছন্দের এবং আলাদা আলাদা খুব প্রিয়। এবার শুধু দেখার পরবর্তী দিনে মিঠাইয়ের স্মৃতি কত তাড়াতাড়ি ফেরে, এবং আবার একবার সেই মিষ্টি জুটিকে টিভির পর্দায় একইভাবে দেখা যায়।