বাংলা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে এই মুহূর্তে সবথেকে বেশি চর্চা যে ধারাবাহিককে নিয়ে হয় তাহলে স্টার জলসার গুড্ডি। প্রথম থেকেই কখনো ত্রিকোণ প্রেম, কখনো পরকীয়ার গল্প তুলে ধরা হয়েছিল ধারাবাহিকে যার কারণে প্রায় চর্চা হতো এই ধারাবাহিক নিয়ে। বারবার বিভিন্ন বিষয়ে হাসির খোরাক হয়েছে এই ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যেত অভিনেত্রী শ্যামৌপ্তি মুদলি এবং অভিনেতা রণজয় বিষ্ণুকে। একটা ছোট গ্রামের মেয়ের পুলিস অফিসার হওয়ার গল্প থেকে কথায় চলে গেল গল্প। যা নিয়ে দর্শকরা বার বার লেখিকাকে দোষারোপ করেছে।
এমনকি ধারাবাহিকের লেখিকা এবং অভিনেতা অভিনেত্রীরাও উঠে আসতেন সেই চর্চায়। ধারাবাহিকে তো আমরা বরাবরই দেখেছি অনুজকে নিয়ে গুড্ডি এবং শিরিনের মধ্যে টানাটানি চলে। কিন্তু অনুজ গুড্ডির দিকেই সব সময় ঝুকে ছিল। অন্যদিকে যুধাজিৎ এর সঙ্গে গুড্ডি পরে বিয়ে করলেও অনুজ তাকে ভুলতে পারছে না।

কিছু বছরের লিপ নেওয়া হয় গল্পে। অনুজের ছেলে তার কাছে থাকে এমনটাই দেখানো হয়েছিল তারপর গুড্ডি আর অনুজ একই জায়গায় এসপি আর ডিএসজি হয়ে আসে। অনুজের ছেলে পুবলু গুড্ডিকে মামনি বলে ডাকতে শুরু করে তার কাছে থাকতে চায়। এই ভাবে গুড্ডি ও অনুজের মধ্যে আবার যোগাযোগ শুরু হয়। যেটা শেষের দিকে যুধাজিত কিছুতেই মানতে পারত না।
সেখান থেকেই বার বার অশান্তি হতে হতে অনুজ অসুস্থ হয়ে পড়ে। আর সম্প্রতি কয়েকটি পর্বের মাধ্যমেই দেখা গেল অসুস্থতা থেকেই অনুজ ম্যাসিভ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়ে মারা গেল। যেটা এতটাই অদ্ভুত ভাবে ঘটে গেল যে ধারাবাহিকের চরিত্রগুলোর সাথে দর্শকরাও অবাক হয়ে গেছে। এরপর গুড্ডি এবং যুধাজিৎ তাকে নিয়ে বাড়ি আসে। কিন্তু সেখানে এসেও প্রত্যেকটা মানুষ গুড্ডিকে দোষারোপ করতে শুরু করেছে। অনুজ মারা যাওয়ার আগে গুড্ডিকে পুবলুর মানুষ করার দায়িত্ব দিয়ে গেছে কিন্তু সেখানেও শিরিন আর অনুজের বাবা করতে দেবে না।
এতদিন পর জেল থেকে শিরিন এসেছে। আর গতলের পর্ব দেখে এক নেটিজেন লিখেছেন, “শিরিন এসেছে অবশেষে। পুবলুকে গুড্ডির কাছে থাকতে দেবে না শিরিন আর অনুজের বাবা । গুড্ডির অধিকারও নেই রাখার দেখা যাক কি হয় তবে এবার সবাইকে দেখিয়েছে । অনুজের বাবা আর কেয়া ফুল কে কত দিন পর দেখলাম। এই কঠিন সময় যখন সবাই গুড্ডিকে দোষারোপ করছে তখন যুধাজিৎ আবার protect করছে গুড্ডিকে। শেষের দিকে সত্যি বলতে গুড্ডির বাড়াবাড়ির জন্য যুধাজিৎ অনুজকে অপমান করছিল অনুজ বারবার পুবলুকে নিয়ে আসতে চাইছিল গুড্ডি দেয়নি তাই অশান্তি বেড়ে গিয়েছিল। তবে যুধাজিৎ অনুতপ্ত। চলে যাওয়ার পর আর তো অভিযোগ থাকে না অনুজ সব কিছুর উর্ধ্বে চলে গেছে।”





