বাঁধা-বি’প’ত্তি এলেও কখনো পিছিয়ে আসার চিন্তাভাবনা করেনি জি বাংলার (Zee Bangla) কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুল। প্রত্যেকদিন প্রত্যেকটি মুহূর্তে এক ভ’য়’ঙ্ক’র লড়াকু মা’ন’সি’কতা নিয়ে এগিয়ে গিয়েছে সে। আর এই মুহূর্তেও সেটাই করতে দেখা যাচ্ছে তাকে। প্র’তি’কূ’ল’তার সম্মুখীন হলেও সেটা মোকাবিলা করার মনের জোর রয়েছে নায়িকার। আর এই জন্যই শিমুল চরিত্রটি দর্শকদের কাছে এতটা প্রিয় হয়ে উঠেছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, প্রত্যেকের জীবনে একটু একটু করে পরিবর্তন এসেছে। বিপাশা যতই চন্দনের বিরুদ্ধে কেস করুক না কেনো, সে বারবার বসুন্ধরার নিষ্পাপ চেহারার দিকে তাকিয়ে সবকিছু ভুলে যাচ্ছে। ওইটুকু বাচ্চা বাবাকে ছাড়া কষ্ট পাচ্ছে এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না বিপাশা। এদিকে বিপাশের সাথে যেটা হয়েছে সেটাও চরম অন্যায় যার কোন ক্ষমা নেই। এই মুহূর্তে এক দোটানার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বিপাশার জীবন।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বিপাশাকে অনুরোধ করে তার শাশুড়ি মা এবং মধুরিমা। মধুরিমা বলে, “আমি এখানে পড়ে আছি শুধুমাত্র আমার মেয়ের জন্য। আর যদি আমি চলে যাই বা চন্দন যদি আর জেলে থাকে তাহলে আমার মেয়েটা পড়াশোনা করতে পারবে না। আমার মেয়েটা শিক্ষিত হতে পারবে না। তুমি দয়া করে চন্দনকে ফিরিয়ে আনো। আমার জন্য না হোক এই বাচ্চাটার কথা চিন্তা করে অন্তত তুমি একটু দয়া করো।” এসব শুনে আর কিছু বলতে পারেনা বিপাশা সে বলে, শুধুমাত্র বসুন্ধরার কথা ভেবে সে চন্দনকে মুক্ত করবে। কিন্তু তার বদলে সে কি পাবে? মধুরিমা বলে, সে নিজে দেখবে বিপাশা যাতে এই বাড়িতে ভালোভাবে থাকতে পারে।
এরপর সোজা পুলিশ স্টেশন চলে যায় বিপাশা। সেখানে গিয়ে এসে পুলিশ অফিসারকে বলে, সে তার অভিযোগ তুলে নিতে চায় এবং চন্দনকে যেন ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ অফিসার একাধিক কথা শোনায় বিপাশাকে। এর পাশাপাশি সে এটাও জিজ্ঞাসা করে, কেউ কি তাকে চাপ দিচ্ছে এটা করার জন্য? বিপাশা বলে, “চন্দনের একটা বাচ্চা আছে স্যার। আমার যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে, কিন্তু চন্দন যদি জেলে থাকে তাহলে ওই বাচ্চাটা মানুষের মতো মানুষ হতে পারবে না। কারণ ও স্কুলে যেতে পারবে না। ওদের রাস্তায় এসে দাঁড়াতে হবে। তাই জন্যই আমি ওকে ছাড়াতে এসেছি।” পুলিশ অফিসার চন্দনকে জেল থেকে বের করে দেয়।
আরো পড়ুন: অর্জুনের ডাকে সাড়া দিলো দীপা! সমস্ত পিছুটান ভুলে অর্জুনের হাত ধরতে রাজি সে, নতুন প্রোমো দেখে দারুণ খুশি ভক্তরা
এদিকে দেখা যায় শিমুল বাড়ি ফিরতেই তার জন্য গরম গরম লুচি বেগুন ভাজা মিষ্টি নিয়ে চলে এসেছে তার শাশুড়িমা মধুবালা। হঠাৎ কেন এত খাবার তৈরি করেছে তার শাশুড়ি মা সেটা জানতে চাইলে মধুবালা বলে, “পরাগ বলল, তোমার বৌমা সেই সকাল বেলা একটুখানি খেয়ে বেরিয়ে গেছে। নিশ্চয়ই এসে খুব খিদে পাবে শিমুলের। তাই ওর জন্য একটু লুচি বানাও।” শিমুল সব শুনে বলে এগুলোর কোন দরকার ছিল না। শুধু শুধু গরমের মধ্যে এত খাটাখাটনি করতে হলো। কিন্তু সেসব মোটেই শুনতে চায় না মধুবালা। তখন শিমুল বলে যখন বানানো হয়েছে তখন আমরা সবাই একসাথে খাব।





