সময়ের কথা সময় থাকতে না বলতে পারলে অনেক দেরি হয়ে যায়। তারপর আর কিছু করার থাকে না। স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের অন্যতম প্রধান চরিত্র তিস্তাও সময় থাকতে অনেক কিছুই বলতে পারলো না নায়িকা দীপাকে। তার কথা না শোনায় আজ এক চরম বিপন্ন অবস্থার মধ্যে দিয়ে দিন অতিবাহিত করতে হচ্ছে তাকে।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, তিস্তা ভিক্টরের ভয়ে ছুটতে ছুটতে রাস্তা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় একটা গাড়ির সামনে পড়ে। সেই গাড়িতে ছিল অর্জুনের ড্রাইভার। সে তিস্তাকে অর্জুনের বাড়িতে নিয়ে আসে। তিস্তা সোনা রুপার কাছে দুটো দিন থাকতে চায়। অর্জুন বলে, সে যত দিন খুশি এই বাড়িতে থাকতে পারে। দীপা বুঝতে পারে তিস্তার কিছু একটা হয়েছে যেটা ও বলতে পড়ছে না। সেদিন রাতেই তিস্তা দীপার জন্য একটা চিঠি লিখে সেখানে সবটা জানিয়ে দেয়। তবে সেই চিঠি দীপার হাত অবধি কি আদৌ পৌঁছবে?
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাত্রিবেলা দীপা শুনতে পায় কেউ একজন গান গাইছে। বাইরে এসে দীপা দেখে অর্জুন গান করছে। তার চোখে জল। এসব দেখে নিজেও কেঁদে ফেলে দীপা। সে তার অর্জুন দাকে জিজ্ঞেস করে কেনো কাঁদছে সে? অর্জুন বলে তার যাই হোক, সে আর কখনো দীপাকে চোখের জল ফেলতে দেবে না। দীপাকে সে সবসময় আগলে রাখবে। এসব শুনে কি বলবে কিছুই ভেবে পায় না দীপা।
সকাল হতেই দীপা তাড়াতাড়ি সোনা রুপার খাবারের ব্যবস্থা করে। তিস্তাও দীপাকে সাহায্য করে। সে মনে মনে ভাবে এই বাড়ির পরিবেশ কত ভালো। সব দুঃখ কষ্ট ভুলে থাকা যায়। অর্জুন অমলেট বানিয়ে নুন দিতে ভুলে যায়। তিস্তা তখন হেসে অর্জুনকে দাদা সম্বোধন করে। তার পর থেকে তিস্তাকে দাদা বলেই ডাকতে বলে অর্জুন। এটা শুনে তিস্তাও খুব খুশি হয়। ঠিক তখনই ভিক্টর আর পৃথা এসে তিস্তার হাসি কেড়ে নেয়। ভিক্টর ভীষণ চালক। তিস্তা যাতে কিছু বলতে না পারে তার জন্য তিস্তার মা অনুজাকে সাথে করে নিয়ে আসে সে। এরপর পৃথা তিস্তার হাত ধরে টেনে তাকে নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু তিস্তা যেতে চায় না। অর্জুন তখন বলে, তিস্তা তো বাচ্চা মেয়ে নয় তাই ওর হাত ধরে টানাটানি করার কোনো দরকার নেই।
আরো পড়ুন: ক্যাটরিনা,রশ্মিকার পর এবার কোয়েল মল্লিক! ডিপফেকের শিকার রঞ্জিত কন্যা, ভাইরাল হল ছবি!
এরপর তিস্তাকে নিয়ে চলে যায় ভিক্টর। কিন্তু দীপার চিন্তা কিছুতেই দূর হয় না। তিস্তা বাড়িতে যেতেই কান্নাকাটি করা শুরু করে। ভিক্টর তাড়াতাড়ি তার শাশুড়ি মায়ের যাওয়ার বেবস্থা করে দেয়। তার শাশুড়ি মা অর্থাৎ তিস্তার মার যেতেই আবার তিস্তার উপর অত্যাচার করা শুরু করে ভিক্টর। অন্যদিকে দীপা যখন তিস্তাকে নিয়ে চিন্তিত তখন সোনা রূপা তিস্তার লেখা চিঠিটা পায় আর দীপা অর্জুনকে দেখায়। সেটা দেখে অবাক হয়ে যায় তারা। অর্জুন আর দীপা দুজনে ঠিক করে এবার তাদেরকেই যা করার করতে হবে।





