বর্তমানে একেবারে জমে উঠেছে স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager chowa) ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব। এই মুহূর্তে ছদ্মবেশ ধারণ করে সেনগুপ্ত বাড়িতে ঢুকে পড়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা। একটু একটু করে আবার আগের স্বাদ ফিরে পাচ্ছে এই ধারাবাহিকের গল্প। টিআরপিতেও মোটামুটি একটা ভালো জায়গাতেই অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দীপাকে কায়দা করে বাড়ি থেকে সরিয়ে দেয় অর্ণব আর ইরা। কারণ বারবার দীপা তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। কিন্তু দীপা এত সহজে যুদ্ধ ছেড়ে যাওয়ার পাত্রী নয়। সে এমন একটা উপায় বার করে যাতে সে সেনগুপ্ত বাড়িতে সসম্মানে থাকতে পারে। আর এই কাজে তাকে ভীষণভাবে সাহায্য করে ডাক্তার সান্যাল। তার সাহায্যেই দীপা আবারো সেনগুপ্ত বাড়িতে ঢুকে পড়ে। বর্তমানে টানটান উত্তেজনায় ভরে উঠেছে ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অর্ণব আর ইরা দুজন মিলে একজন অন্য ডাক্তারকে সূর্যর দেখাশোনার জন্য নিয়ে আসে। সেই ডাক্তার এসেই সূর্য সমস্ত পুরনো ওষুধগুলোকে পাল্টে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে ডাক্তার সান্যাল। তাকে দেখে অর্ণবের আনা ডাক্তার একেবারে ভিড়মি খায়। সে তাড়াতাড়ি হাত জোড় করে একেবারে পায়ে পড়ে গিয়ে ডাক্তার সান্যালের কাছে ক্ষমা চায়। কারণ এই ডাক্তার সান্যালের জন্য এসে আজ কলকাতায় আসতে পেরেছে এবং এত বড় ডাক্তার হতে পেরেছে। এমন কাণ্ড দেখে ইরা বুঝে যায় ডাক্তার সান্যালের ঠিক কতটা ক্ষমতা।
আরও পড়ুন: মেহেন্দির ভক্তি আর জ্যাসের বুদ্ধি এই দুইয়ের জোরে ফিরলো কাঁকন! দুই বোন হয়ে উঠেছে গল্পের আধার!
এরপর ডাক্তার সান্যাল বলেন, “সূর্যের স্ত্রী বা অন্য কারোর ওপর আমি আর কোনরকম ভরসা করতে পারছি না। তাই আমি নিজেই ওর চিকিৎসার জন্য একজন নার্স ঠিক করেছি। সে কিছুক্ষণের মধ্যেই এখানে চলে আসবে।” কিন্তু এই ঘটনায় একেবারেই রাজি হয়না অর্ণব। সে নিজে নিজের মতন করে একজন নার্স মোতায়েন করতে চায়। কিন্তু ডাক্তার সান্যালের ক্ষমতা দেখে সে ভয় পেয়ে যায়। আর তারপরেই সেনগুপ্ত বাড়িতে ঢুকে পড়ে রাজেশ্বরী।
দীপাকে চিনে ফেলল ইরা
রাজেশ্বরী সেজে সেনগুপ্ত বাড়িতে পা রাখে দীপা। সমস্ত সার্টিফিকেট নিয়ে সে একেবারে রাজেশ্বরী আইয়ার হয়ে আরো একবার সূর্যের জীবনে প্রবেশ করে। কিন্তু এই ঘটনায় বেশ অবাক হয় ইরা। সবাই রাজেশ্বরীকে মেনে নিলেও অর্ণব কিছুতেই মানতে পারে না। পরবর্তীতে ইরা অর্ণবকে বলে, তার মনে হচ্ছে রাজেশ্বরী সেজে সেনগুপ্ত বাড়িতে প্রবেশ করেছে দীপা। অর্ণব বলে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদেরকে খুঁজে বের করতে হবে আসল সত্যিটা।





