অসুস্থ হয়ে পড়লো দীপার বাবা! চিকিৎসা করে তাকে সরিয়ে তুললো সূর্য! ইরাকে হাতেনাতে ধরলো লাবণ্য!

যতদিন যাচ্ছে রহস্যের জটিলতা বেড়েই চলেছে স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa)। আর সেই রহস্য উদঘাটন করে পরিস্থিতি আবার আগের মতন করার চেষ্টা করছে ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা। জলসার সব থেকে পুরনো এই জনপ্রিয় ধারাবাহিকের আকর্ষণীয়তা সময়ের সাথে সাথে আরও বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধারাবাহিকের টিআরপিও বেশ ভালো অবস্থাতেই রয়েছে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ইরা অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়ক সূর্যের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী এখন দীপার সাথে সেনগুপ্ত পরিবারেই নিজের ঘাঁটি গেড়েছে। তার প্রধান লক্ষ্য হলো একটা পেনড্রাইভ, যেটা সূর্যের কাছে রয়েছে বলেই মনে করছে সে। দীপার মনে হচ্ছে ইরা মেয়েটা সুবিধের নয়। তাই সে তার ডাক্তারবাবুকে কখনোই ইরার সাথে একা ছাড়তে চাইছে না। এদিকে একটু একটু করে সুস্থতার পথে এগিয়ে চলেছে সূর্য। যদিও ইরা চায় সূর্যের সুস্থ হওয়ার আগেই পেনড্রাইভটা নিয়ে সেখান থেকে সরে পড়তে।

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৫ জুন (Anurager Chowa Today Episode 15 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ইচ্ছে করে দীপার বাবার সামনে সূর্যের জন্য থালা সাজিয়ে খাবার নিয়ে আসে ইরা। সে বলে, আজ তার বাবা বেঁচে থাকলে সূর্যর বড় করে জামাইষষ্ঠী দিত। ইরাকে দেখে লাবণ্যর ওপর প্রচন্ড রেগে যায় দীপার বাবা। তিনি বলেন, লাবণ্য সেনগুপ্ত সেই শুরু থেকে দীপাকে ব্যবহার করে আসছে। যখনই দীপার প্রয়োজন পড়েছে তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এসেছে আর যখন প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। আর যখন ইরা ফিরে এসেছে তারপরেও দীপার কি দরকার এই বাড়িতে সেটাই বুঝতে পারে না তিনি।

দীপার ঘাড়ে সব দোষ চাপিয়ে দিলো কাকিয়া

এসব বলতে বলতে বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়ে দীপার বাবা। কাকিয়া এসে সমস্ত দোষ দীপার কাঁধে চাপিয়ে দেয়। সে বলে, দীপা বেঁচে পড়ে ইরার নামে খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল। তাই জন্যই ইরা আজ সেনগুপ্ত বাড়িতে। তাই এখানে লাবণ্যর কোন দোষ নেই। এটা শুনে দীপার ওপর রেগে যায় তার বাবা। তারপর তার বুকে ব্যথা হতে থাকে এবং গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাকে দেখেই সূর্য বলে ওঠে, ওনার মাইন্ড অ্যাটাক হয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে দীপা জানতে পারে সূর্যের কথাটাই ঠিক।

আরো পড়ুন: যমুনা ঢাকির পরই কেন সিরিয়াল ছাড়লেন? বিস্ফোরক অভিনেত্রী দেবযানী চ্যাটার্জি

লাবণ্যর কাছে ধরা পড়লো ইরা

এদিকে বাড়িতে কেউ নেই আর সে সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে চাই ইরা। এই সুযোগে পেনড্রাইভটা খুঁজে নিতে পারলেই তার কাজ শেষ হবে। তাই সে এদিক ওদিক সেটা খুঁজতে থাকে। ঘরে ঢুকতে গেলেই সেখানে চলে আসে লাবণ্য সেনগুপ্ত। সে আগের থেকেই ঘরে তালা দিয়ে রেখেছে যাতে ইরা না ঢুকতে পারে। লাবণ্য ইরাকে বলে, সূর্য নিচে শুয়ে আছে আর সে নিজের ঘরে যেতে চাইছে? এটাতো ভীষণ অদ্ভুত একটা ব্যাপার। ইরা যে কাজের জন্য বাড়িতে থেকে গেছে সে যেন সেই কাজটাই মন দিয়ে করে। ইরা বুঝে যায় তার চালাকি ধরে ফেলেছে লাবণ্য।