দীপার বুদ্ধিতে ইরাকে শায়েস্তা করলো উর্মি! অনুজার কান্ড দেখে অবাক হয়ে গেল ভিক্টর! মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে এসে চমকে গেলো দীপার বাবা!

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় সম্প্রচারিত সবথেকে পুরনো এবং সবথেকে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এমন একটি ধারাবাহিক হলো এই অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager chowa)। এত পুরনো হওয়া সত্ত্বেও ধারাবাহিকের টিআরপি বেশ ভালোই। এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দুই বছর পূর্ণ করছে এই ধারাবাহিক। এখন আরো বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই মেগা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সূর্যকে সুস্থ করার আপ্রাণ চেষ্টা করছে দীপা। কিন্তু এর মাঝেই উড়ে এসে জুড়ে বসেছে ইরা। তবে তার উদ্দেশ্য ওই পেনড্রাইভটা খুঁজে বের করা। ইতিমধ্যেই ভিক্টর ইরার আসল রূপটা দেখে ফেলেছে। দীপা ও পুরোপুরিভাবে ইরাকে বিশ্বাস করতে পারছে না। কারণ ইরার ব্যবহার মোটেই স্বাভাবিক নয়। তাকে দেখে প্রচন্ড ভয় পাচ্ছে ডাক্তারবাবু। আর এখানেই খটকা লাগছে দীপার। নিজের সমস্ত জীবনটাকে পিছনে ফেলে রেখে ডাক্তারবাবুর জন্য নিজের জীবনটা উৎসর্গ করছে সে।

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৪ জুন (Anurager Chowa Today Episode 14 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তারের সাথে কথা বলতে বলতে তাদের কথার মাঝে ঢুকে পড়ে ইরা। সেই ডাক্তার সেখান থেকে চলে যাবার পর ইরা দীপাকে বলে, “সেদিন তোমার মাথায় যে সিঁদুরটা পড়েছিল সেটাকে সত্যি ভেবে বসে থেকো না। ওটা একটা ভুল। আসল সত্যিটা হলাম আমি। আমাকে সূর্য নিজের ইচ্ছায় সিঁদুর পড়িয়েছে। তাই তুমি না বললেও ওর ওপর অধিকার রয়েছে আমার।” দীপা প্রত্যুত্তরে আর কিছুই বলতে পারে না।

ইরাকে জব্দ করলো দীপা

এরপর দেখা যায় দীপা সূর্যের ডাক্তারি সংক্রান্ত একটি বই নিয়ে এসে সূর্যকে দেখায়। সে গড়গড় করে অনেক কিছু পড়ে ফেলে। দীপা আরো বেশি করে সূর্যকে সবটা মনে করানোর চেষ্টা করে। এটা দেখে খুব ভয় পেয়ে যায় ইরা। মাঝে ব্যাঘাত দেওয়ার চেষ্টাও করে ইরা। এরপর সবার সামনে ইরা দীপাকে বলে, স্বামী স্ত্রীর মাঝে দীপার না থাকাটাই ভালো। এটা শোনার পরে জয় আর উর্মির ঘরে চলে যায় দীপা। সে মনে মনে ঠিক করে যাই হয়ে যাক ইরাকে ডাক্তারবাবুর সাথে একা ছাড়া যাবে না। তাই জয় আর উর্মিকে বুদ্ধি করে ডাক্তারবাবুর কাছে পাঠিয়ে দেয় দীপা।

জামাইষষ্ঠীতে চলে এলো দীপার বাবা

এদিকে পরের দিন জামাইষষ্ঠী তাই ভিক্টরের জন্য এলাহী আয়োজন করেছে তিস্তার মা। এসব দেখে ভিক্টর কি বলবে কিছু বুঝতে পারে না। তার জন্য নতুন ধুতি-পাঞ্জাবির অবধি এনে দিয়েছে সে। ঠিক তখনই সেনগুপ্ত বাড়িতে চলে আসে দীপার বাবা। সে সূর্য আর জয়ের জন্য দুটো উপহার নিয়ে আসে। দীপা মনে মনে ভাবতে থাকে, একবার যদি তার বাবা জানতে পেরে যায় যে ডাক্তারবাবুর স্ত্রী ফিরে এসেছে তাহলে তার বাবা কখনোই তাকে এখানে থাকতে দেবে না।