দীপার মনস্কামনা একটু হলেও শুনেছে তার ভগবান। আদালতের নির্দেশ মেনে সূর্য এবং দীপা আবারও একসঙ্গে থাকতে শুরু করেছে। কিন্তু, দু’জনের মনেই অনেক চাপা অভিমান রয়েছে। তবে দীপা চায় যাবতীয় দূরত্ব ঘোচাতে। যদিও সূর্য যাবতীয় রাগ ও অভিমান আঁকড়ে রয়েছে। সে কোনওভাবেই সম্পর্ক জোড়া লাগুক তা চায় না। তবে দীপা আগের মতোই তার যত্নআত্তি করতে শুরু করেছে।
একই ছাদের নিচে থাকলেও সেই ছাদটা হচ্ছে দীপার। অর্থাৎ তোর শ্বশুর বাড়িতে নয় বরং নিজের বাড়িতেই সূর্যের সঙ্গে কোর্টের অর্ডার মেনে ছ মাস কাটাবে সে। এই ছয় মাসের মধ্যে কি সূর্য দিবার মাঝে থাকা সমস্ত রাগ অভিমানী মিটবে? কোন দিকে মোড় নেবে গল্প এখন সেটাই দেখার বিষয়।
অন্যদিকে, সেনগুপ্ত বাড়িতে সোনা আর রূপাকে সামলানো যাচ্ছিল না। মা-বাবার অনুপস্থিতিতে তারা খেতেও চাইছিল না। সেই কারণে লালকমল নীলকমল গল্প নিয়ে নাটক করার কথা বলা হয়। এতে খুশি হয় দুই খুদে। মা-বাবাকে ছেড়ে থাকতে করইবা ভালো লাগে? মা-বাবার মধ্যে যে ফাটল ধরেছে সেটা তারাও বেশ ভালো করেই বুঝতে পেরেছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে সোনা রুপা।
সূর্য দীপার জীবন যতটা সুন্দর হবে মনে করা হচ্ছিল ততটা সুন্দর বোধহয় মিশকা থাকতে হওয়া সম্ভব নয়। দীপার বাড়িতে আসে মিশকা। সে কেন এসেছে? জিজ্ঞেস করে দীপা। সূর্য জানায়, তার বন্ধু হিসেবে মিশকা আসতেই পারে। কিন্তু, দীপার সাফ জবাব, তার বাড়িতে মিশকাকে যখন তখন ঢুকতে দেবে না সে। মিশকা যে ষড়যন্ত্র করেছিল সেই কথা জানিয়ে দেয় দীপা। মিশকা বলে, তার বিরুদ্ধে কীসব রেকর্ডিং আছে তা শোনাতে। দীপা ফোনের দিকে এগোলে নিজেই দীপার করে রেকর্ডিং খোঁজার ভান করে মিশকা। কোথায় রেকর্ডিং আছে খুঁজে না পেয়ে মনে মনে বেশ খুশি হলো সে। কারণ সে কনফিডেন্ট যে ওই রেকর্ডিং ডিলিট করে দিতে পেরেছে।
কিন্তু, দীপা সবটা আগেই টের পেয়েছিল। দীপা জানত তার ফোন থেকে রেকর্ডিংগুলো ডিলিট করে দিয়েছে মিশকা। নিসকার পারফিউমের গন্ধে তার উপস্থিতি টের পেয়েছিল সেদিন দীপা। সে প্রশ্ন করে, রেকর্ডিংয়ের কথা মিশকা জানল কী করে? সূর্যর সামনে সে তো কিছু বলেনি। তাহলে? মুখ চুন হয়ে যায় মিশকার। তখন দীপা জানায়, বয়স্ক মহিলার বেশে ওই রেকর্ডিং ডিলিট করেছে মিশকা। তার কথার জালে তাকেই ফাঁসায় দীপা। বন্ধুর ষড়যন্ত্রের কথা জেনে যাবে সূর্য? জানা যাবে অনুরাগের ছোঁয়ার সোমবারের এপিসোডে।





