এই মুহূর্তে অনেকগুলো বিপদের সাথে একা হাতে লড়াই করে চলেছে স্টার জলসা (Star Jalsha) চ্যানেলে সম্প্রচারিত সবার প্রিয় গীতা LLB (Geeta LLB) ধারাবাহিকের নায়িকা। এই অভিনেত্রীর অভিনয় প্রত্যেকদিন মুগ্ধ করছে দর্শক মহলকে। জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিয়া মুখোপাধ্যায়কে দেখা যাচ্ছে ধারাবাহিকের প্রধান নায়িকা গীতার চরিত্রে। চলতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকার প্রথম পাঁচ থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় আরো বেশি দামদার পর্ব নিয়ে আসছে ধারাবাহিক কর্তৃপক্ষ।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, গীতাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল ভজন আর তার নিজের শ্বশুরমশাই। কিন্তু এত সহজে এই পৃথিবী ছেড়ে যাচ্ছে না গীতা। কারণ এখনো এমন অনেক অপরাধী রয়েছে যাদেরকে শাস্তি দেওয়া বাকি রয়ে গিয়েছে তার। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে বিয়ে করে গীতা। সবাইকে দেখিয়ে দেয় সে সত্যিই একজন অগ্নিকন্যা। যদিও তার সুখে খুশি হতে পারেনি তার নিজের দিদি গিনি।
গীতা LLB আজকের পর্ব ২৩ জুন (Geeta LLB Today Episode 23 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ব্রজবালা গীতাকে তার গয়নাটা দেওয়ায় একেবারেই খুশি হয়নি গিনি। তাই বাড়িতে ঢোকার পথেই ব্রজবালাকে আটকায় সে। এরপর তাকে গয়নাটা ফিরিয়ে আনতে বলে। সে আরো বলে, এই বাড়িতে ব্রজবালা থাকছে খাচ্ছে আর এই বাড়ির মানুষগুলোকে কিছু দেবে না এমনটা তো হতে পারে না। ঠাম্মি তখন বলে, নিজের টাকায় খায় আর এই বাড়িটা তারও। তাই সে কোনভাবেই গয়নাটা ফিরিয়ে আনবে না। গিনি বলে, তাহলে সে নিজের প্রাপ্য জিনিস গীতার থেকে ছিনিয়ে নেবে।
চন্দ্রনাথ বাবুর হয়ে বদলা নিলা গীতা
এরপর গীতাকে খাইয়ে দেয় স্বস্তিক। তখনই সেখানে চলে আসে চন্দ্রনাথ বাবু। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে ভয় পেয়ে যায় গীতা। তিনি বলেন ক্ষিতীশ তাকে মারধর করেছে। রেগে গিয়ে তাড়াতাড়ি তাকে সঙ্গে করে ক্ষিতীশের কাছে চলে যায় গীতা। সেখানে গিয়ে গীতা চন্দ্রনাথ বাবুকে বলে সে যেন ক্ষিতীশকে চড় মারে। চন্দ্রনাথ বাবু সেটাই করেন। তারপর ক্ষিতীশ ফোন করে ভজনকে। কিন্তু তাতেও কিছু লাভ হয় না। গীতা ভজনকে বলে, তারা যেটা করেছে সেটার শাস্তি তাদেরকে পেতেই হবে।
আরো পড়ুন: দীপার কাছে ধরা পড়ে গেলো ভুয়ো ডাক্তার! দীপার মুখ বন্ধ করতে তার পিছনে গুন্ডা লেলিয়ে দিলো ইরা!
গীতার কথা শুনে ভয় পেয়ে গেলো অগ্নিজিৎ
গীতা এরপর বাড়ি ফিরে আসে। তার কাছে এখন অনেকগুলো প্রমাণ রয়েছে। সহজেই সে তার শ্বশুর মশাইকে পরাস্ত করতে পারবে। গীতা ফোন করে তার শ্বশুর মশাই অর্থাৎ অগ্নিজিত মুখার্জীকে। তাকে ফোন করে গীতা বলে, একটা মেয়েকে তারা সমুদ্রে টেনে নিয়ে গিয়ে তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে। এত বড় পাপের শাস্তি সে নিজে তাদেরকে দেবে। তার ভাবতেও ঘেন্না করে, যে মানুষটাকে সে এত ভালোবাসে সেই মানুষটার বাবা অগ্নিজিৎ। এই সমস্ত কথা শুনে আরও বেশি করে রেগে যায় স্বস্তিকের বাবা।





