সুচরিতার কথা শুনে খুশি হয়ে গেল শিমুল! চাপে পড়ে পলাশ সব দোষ স্বীকার করতেই পাল্টি খেলো প্রতীক্ষা!

Kar Kache koi moner kotha Today Episode 7 May: একজন অপরাধীর কথা শুনে অপরাধ করতে গিয়ে এবার নিজেই সম্পূর্ণরূপে ফেঁসে গেল জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকের খলনায়ক পলাশ। কথায় আছে পুলিশে ছুঁলে ছত্রিশ ঘা। এই কথাটা যে কতটা সত্যি সেটা এবার হারে হারে টের পাচ্ছে সে। শিমুল যে কেসটা তুলে না নিয়ে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থেকেছে এটা দেখে শিমুলের প্রতি শ্রদ্ধা আরও বেড়ে গিয়েছে দর্শকদের।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শিমুলকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল পলাশ আর প্রতীক্ষা। সে পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানায়। পুলিশ সেই অনুযায়ী তদন্ত চালায়। তারা দুজনে মধুবালার কাছে গিয়ে ভেবেছিল শিমুলকে আটকাতে পারবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তাদের কপালে সেটা জুটলো না। অবশেষে পুলিশের জেরায় ফাঁস হয়ে গেল সবকিছু। প্রতীক্ষা তো একজন জেল খাটা আসামি হয়ে গিয়েছিল এইবার পলাশের পালা।

নতুন ব্যবসা খুলল সুচরিতা

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বিপাশার জন্য অপেক্ষা করতে করতে নিজেদের মধ্যে কথা বলতে থাকে সুচরিতা শীর্ষা ও শিমুল। সেখানে শিমুল জানতে পারে সুচরিতা নাকি প্রত্যেকদিন বিকেলবেলা বেরোচ্ছে। সুচরিতা জানায়, “আমি ভাবছি বাড়ি বাড়ি না গিয়ে এবার একটা দোকান খুলবো। স্টেশন চত্বরেই একটা দোকান কিনছি। এখন ধারে কিনছি এরপর আস্তে আস্তে শোধ করে দেবো।” সুচরিতার এই উন্নতি শুনে খুব খুশি হয় শিমুল।

বাড়ি ছেড়ে দিল বিপাশা

এরপর বিপাশা চলে আসে সার্টিফিকেট নিয়ে। শিমুল বলে সে যেন তাড়াতাড়ি সবকিছু গুছিয়ে বেরিয়ে আসে। এরপর বিপাশা যখন সব গোছগাছ করছে তখন চন্দন বলে সে একেবারেই চায়নি বিপাশা এখান থেকে চলে যাক। মধুরিমা এসেও খুব কান্নাকাটি করে। বিপাশার শাশুড়ি মা বলে এইবার এই বাড়িটা লক্ষীছাড়া হয়ে যাচ্ছে। এই সমস্ত কথা বিপাশার নাটক বলে মনে হয়। কারণ সময় থাকতে তারা এসব বোঝেনি তাই এখন আর এসব বুঝে লাভ নেই। বিপাশা বলে আর ঝামেলা না বাড়িয়ে সে যেন এবার স্ত্রী কন্যা নিয়ে সুখে সংসার করে।

আরও পড়ুন: জন্মদিনের দিন বড় সুখবর, প্রতীকের জীবনে শুরু নয়া অধ্যায়, কী সেই খবর!

দোষ স্বীকার করে নিল পলাশ

এদিকে পলাশ আর প্রতীক্ষাকে একেবারে চেপে ধরেছে পুলিশ। অফিসার তাদেরকে জানায়, “আমাদের লোক সেই দোকানে গিয়েছিল যেই দোকানে কেনাকাটি করার কথা আপনারা বলেছেন। এখান থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে, আপনারা নাকি ঘুষ দিয়ে বলে এসেছেন যে সেই দিন আপনারা দোকানে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন এটা যেন তারা আমাদেরকে বলে। কাঁচা কাজ করে ফেলেছেন আপনারা। আপনারা বুঝতেও পারছেন না যে কিভাবে ধরা পড়ে গিয়েছেন নিজের জালেই।” এটা শুনে আর নিজেকে শান্ত রাখতে পারেনা পলাশ। সে পুলিশ অফিসারের কাছে ক্ষমা চায়, কিন্তু প্রতীক্ষা তখনও নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে ব্যস্ত। এরপর তাদেরকে জেলে ঢোকানোর প্রস্তুতি নেয় পুলিশ।