স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির তালিকায় অন্যতম হলো ‘কথা’ (Kotha) ধারাবাহিক। দীর্ঘ এক বছর ধরে এই ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হচ্ছে টিভির পর্দায়। আর ধারাবাহিকটি শুরুর সময় থেকে দর্শকদের বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী সুস্মিতা দে (Sushmita Dey) এবং অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্যকে (Saheb Bhattacharya)। এই ধারাবাহিকের হাত ধরেই অভিনেতা সাহেব দীর্ঘদিন পর টেলিভিশনে ছোটপর্দায় ফিরেছেন। ধারাবাহিকে কথা অগ্নিভর জুটি দর্শকদের বেশ পছন্দের সেটা বোঝাই যায়।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছিল একটি প্রত্যন্ত গ্রামে মন্দিরের রহস্য উদঘাটন করতে গিয়েছে কথা এবং অগ্নিভরা। তাদের সাথে জুনি, অঙ্কিত আর তাদের বোন কাকা রয়েছে। সেই মন্দিরের নানান রহস্য উদঘাটন করতে গিয়েই কত রকম বিপদের মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। কখনো কথার উপর হামলা করা হয়েছে আবার কখনো তাদের সবাইকেই ভয় দেখিয়ে গ্রাম ছাড়া করতে চেয়েছে। এই সবকিছুর পিছনে আসলে রয়েছে প্রান্তিক এবং ম্যান্ডি। কাল প্রান্তিক জোর করে জুনিকে বিয়েও করতে গিয়েছিল। কিন্তু সঠিক সময়ে সেখানে কথারা সবাই পৌঁছে যায় এবং জুনিকে প্রান্তিকের হাত থেকে উদ্ধার করে। প্রান্তিকের হাত থেকে জুনিকে উদ্ধার করে অঙ্কিত নিজেই তার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিয়ে তাকে বিয়ে করে। যদিও পুরো ঘটনাটাই পরিস্থিতির চাপের ঘটেছে। এরপর অঙ্কিত জুনিকে যোগ্য সম্মান দিয়ে গুহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা দেয়।

কথা আজকের পর্ব ২৭ সেপ্টেম্বর (kotha Today Episode 27 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে গুহু বাড়িতে অঙ্কিতের জন্য সম্বন্ধ দেখতে এসেছে। একজন ভালো পাত্রীর সঙ্গে অঙ্কিতের মা তার বিয়ে দিতে চায়। তাই একজন ভালো পরিবারের শিক্ষিত মেয়ের সম্বন্ধ নিয়ে এসেছে অঙ্কিতের পিসি লেখা, তারা আনা সম্বন্ধেই পছন্দ হয়েছে অঙ্কিতের মায়ের। তারা আজকেই অঙ্কিতকে দেখতে আসবে, আর ওদিকে অঙ্কিতরাও আজই ফিরবে গ্রাম থেকে। কিছুক্ষণ পরে দেখা যায় যাদের বাড়ি থেকে সম্বন্ধে এসেছে সেই বাড়ি মেয়ে এবং তার বাবা-মা আসে অঙ্কিতদের বাড়িতে। প্রথমে অঙ্কিতদের পরিবারের সকলের সঙ্গে আলাপ হয়। এরপর অঙ্কিতের মা অঙ্কিতের সম্বন্ধে গুণগান করতে থাকে তাদের সামনে। ঠিক সেই মুহূর্তে বাড়িতে ঢোকে তিমির অর্থাৎ অঙ্কিতের ছোট কাকা।
তিমিরকে দেখে অঙ্কিতের মা দৌড়ে ছুটে যায় এবং অঙ্কিত কোথায় সেই কথা জিজ্ঞাসা করে। তিমির জানায় পেছনে তারা আসছে, এরপরে বাড়িতে ঢোকে কথা। কথাকলি ঢোকার পরে অঙ্কিতের মা একই প্রশ্ন করে যে অঙ্কিত কোথায়। এর পরে কথা দরজার দিকে তাকিয়ে থাকে, অঙ্কিতের মা দেখে অঙ্কিত আসছে। অঙ্কিত ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই তার মা জানায় তাকে দেখতে মেয়ের বাড়ি থেকে লোকজন এসেছে। এরপরে এক এক করে জুনি সহ অঙ্কিতের ভাই বোনেরা সবাই আসতে থাকে। জুনিকে কনের সাজে দেখে অঙ্কিতের মা ঘাবড়ে যায়।
জুনিকে ঐ সাজে দেখে প্রশ্ন করে অঙ্কিতের মা। সবাই জুনির বিয়ে হয়ে গেছে শুনে অবাক হয়ে যায়। এরপর দেখা যায় অঙ্কিত জুনির পাশে দাঁড়িয়ে বলছে জুনিকে সে বিয়ে করেছে। অঙ্কিতের মুখে এই কথা শুনে তো আকাশ থেকে পড়ে অঙ্কিতের মা। কিছুতেই মানতে চায় না এই কথা। জুনিকে নিজের ছেলের বউ হিসেবে একেবারেই মেনে নিতে পারে না সে। শুরু করে দেয় চিৎকার চেঁচামেচি। কথা অঙ্কিতের মাকে শান্ত করতে গেলে কথা কেই ভুল বোঝে সে। বারবার বলতে থাকে এটা নিশ্চয়ই কথার প্ল্যান তার বোনকে অঙ্কিতের গলায় ঝুলিয়ে দেওয়ার জন্য।
আরও পড়ুনঃ বাংলার সমস্ত সিরিয়ালের মধ্যে সেরা দুটো জুটি থাকছে এই মেগায়! আত্মবিশ্বাসে ভরপুর নায়ক
বাড়ির সকলে মিলে তাকে বোঝাতে থাকে আগে সবার কথা শোনার জন্য। অঙ্কিত বারবার তার মাকে অনুরোধ করে যাতে কাউকে দোষারোপ না করা হয় সে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে তার এটা নিজের সিদ্ধান্ত। সে নিজের ইচ্ছেতে জুনিকে বিয়ে করেছে এবং এই বিয়ের জন্য কেউ দায়ী নয়। এই ঘটনা ঘটেছে পরিস্থিতির চাপে। কিন্তু অঙ্কিতের মা কিছুই শুনতে চায় না। এমন কি জুনিকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে এগিয়ে যায়। কিন্তু অঙ্কিতার মাকে বাধা দেয়। এরপরে অঙ্কিতের মা এগিয়ে এসে কথাকে থাপ্পর মারতে যায়। ঠিক তখনই এসে তার মার হাত চেপে ধরে অগ্নিভ। এবারে দেখার অপেক্ষায় জুনির জন্য আর কি কি অপেক্ষা করছে গুহ বাড়িতে।





