মাত্র কয়েক মাস আগেই শুরু হয়েছে মেয়েবেলা। অন্যধারার গল্প নিয়ে শুরু হয়েছিল এই ধারাবাহিকটি। দর্শকদের ভালোও লাগছিল বেশ। যদিও এই ধারাবাহিকের ক্ষেত্রে মূল আকর্ষণ ছিলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। ক’মাসেই তিনি বীথি মাসি হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। এই ধারাবাহিকের হাত ধরেই তিনি আট বছর পর ছোট পর্দায় ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি এই সিরিয়াল ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। তাঁর জায়গায় এখন ডোডোর মায়ের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অনুশ্রী দাসকে। আর এখন তাকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে মেয়েবেলার গল্প।
এই দিনের পর্বে ডোডোর বম্মা বীথিকে বলল বিথী তার ছেলেকে কত সুন্দর মানুষ করেছে, তার ছেলে মা অন্ত প্রাণ এই বিষয়টাকে একটু উপভোগ করলে অনেক বেশি ভালো থাকবে বিথী। তা না করে সব সময় কি পায়নি জীবনে কতটা হাহাকার এ সমস্ত কিছুকে আঁকড়ে ধরে থাকলে কখনই ভালো থাকা যায় না। তাই এখন একটু নিজের মতন করে ভালো থাকার উপদেশ দিলেন বম্মা। সেই শুনে মৌ বললো কি সুন্দর বললে তুমি বম্মা!
মৌ একটা গ্লাসে অর্ধেক জল ভরে বম্মা পিপি আর বীথির কাছে নিয়ে এলো এসে বম্মা পিপি কে জিজ্ঞাসা করল তোমরা কি দেখতে পাচ্ছ তারা বলল গ্লাসটা অর্ধেক ভরা। কিন্তু এই একই কথা যখন বীথিকে জিজ্ঞাসা করল তখন বিথী খুব বিরক্ত হয়ে বলল গ্লাসটা অর্ধেক ফাঁকা। এখানে তাদের সাথে পার্থক্য বীথির। মৌ বীথিকে বললো সে যতই টুকু পেয়েছে যা পেয়েছে সেটা নিয়েই ভালো থাকার চেষ্টা করলে তার চেয়ে সুখী আর কেউ হবে না।

মন খারাপ করলে বম্মা দেবের মুভি দেখে, সিনেমার ম্যাগাজিন পড়ে সময় কাটিয়ে দেয়। নিজেকে ভালোবাসতে জানে সে। আর পিপির একটা নাচের স্কুল আছে সে সব সময় সেজেগুজে ঠিকঠাক থাকতে পছন্দ করে তার কারণ সে নিজেকে ভালোবাসে। বিথিকাও ভালো গান করতে পারে কিন্তু সে আর এসব নিয়ে এগোয়নি। কারণ তার মনে সব সময় চলছে সে কি পায়নি কতটা না পাওয়া আছে তার মনে।
আমরা সব সময় ভাবি জীবনে কি কি পাইনি। কিন্তু কখনো ভাবি না আমরা জীবনে কত কিছু পেয়েছি। আমরা হাটতে পারি চলতে পারি, কথা বলতে পারি শুনতে পারি, আমার সুস্থ এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা এগুলোর কোনোটাই পারেনা তাও তারা প্রতিনিয়ত লড়াই করে যাচ্ছে একটু ভালো থাকার আশায়। আমরা যদি না পাওয়া গুলোকে নিয়ে আক্ষেপ না করে পাওয়া গুলোকে ভালোবাসি তাহলে আমাদের জীবনটা অনেক বেশি সুন্দর হতে পারে। দর্শকদের উদ্দেশ্যে এমনটাই শিক্ষা দিল মেয়েবেলা।
View this post on Instagram





