স্টার জলসা (Star jalsha) চ্যানেলে যে সমস্ত ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে সবচেয়ে সেরা ধারাবাহিকটি হল অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager chowa)। সমপ্রতি টিআরপি তালিকায় এক থেকে পাঁচে নেমে এসেছে এই মেগা। নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করছেন দিব্যজ্যোতি দত্ত এবং নায়িকা হিসেবে রয়েছেন স্বস্তিকা ঘোষ ও ধারাবাহিকের প্রধান ভিলেনের চরিত্রে রয়েছেন অহনা দত্ত।
বেশ কিছুদিন আগেই ধারাবাহিকের নায়ক সূর্যকে নির্দোষ প্রমাণ করে বাড়ি ফিরিয়ে এনেছে দীপা। সে প্রমাণ করে দিয়েছে সবটাই মিশকার চক্রান্ত, এমনকি মিশকা কিভাবে মা হয়েছে সেটাও দীপা প্রমাণ করে দিয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে মিশকার গর্ভে থাকা সন্তানের কথা চিন্তা করে তাকে জেল থেকে ছাড়িয়ে আরে দীপা। এরপর থেকেই আবার নতুন করে একের পর এক কাণ্ড ঘটাতে থাকে মিশকা।
মিশকার ঘটানো কাণ্ডর জন্য ভুগতে হচ্ছে সোনা রুপাকেও। এই দিনের পর্বে দেখা যায় স্কুলে যাওয়া মাত্রই অন্যান্য স্টুডেন্ট এর গার্জেনরা প্রিন্সিপালকে বলে সোনা রুপা থাকলে তারা তাদের বাচ্চাদের এই স্কুলে পড়াবেনা। কিন্তু দীপা এসে তাদেরকে বোঝায় যে তারা মানুষ বলেই এখনো অব্দি মানবতা দেখিয়ে যাচ্ছে। এর জন্য কোনভাবেই বাচ্চা দুটো দায়ী নয়।
অন্যদিকে হসপিটালে যেতেই সূর্য দেখতে পায়, তার পুরনো পেশেন্টরা তার কাছে আর চিকিৎসা করাতে চায়না। তাদের মতে যে ডাক্তারের জীবনে এমন কেলোরকীর্তি রয়েছে তার কাছে চিকিৎসা করাতে ভরসা পাচ্ছে না তারা। অসহায় হয়ে পড়ে সূর্য। বাড়িতে ফিরে ঘরে গিয়ে এসে দেখে চাদর মুড়ি দিয়ে আলো নিভিয়ে শুয়ে আছে দীপা। আসলে দীপার শাড়ি পরে সেখানে শুয়েছিল মিশকা। দীপা ঘরে আসতেই সূর্য অবাক হয়ে যায়। তাদের বিছানায় মিশকাকে শুয়ে থাকতে দেখে ভীষণ রেগে যায় সে।
এরপর দেখা যায় কিছু খারাপ লোক তিস্তাকে উত্যক্ত করতে শুরু করে। এরপর সেখান থেকে তিস্তা দৌড়ে পালিয়ে আসে। সৌভাগ্যবশত সেখানেই ছিল রত্না দেবী তাই প্রাথমিকভাবে তিস্তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন তিনি। তারপর দীপা এসে সেই গুডনাদের চড় মারে। মিশকার জন্য আজ সব দিক থেকে নাজেহাল হয়ে পড়েছে সেনগুপ্ত পরিবার।





