আমাদের এই হিন্দু সমাজে ধর্মের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। এই ধর্মে দেবদেবীকে মানুষ অনেক শ্রদ্ধা করে, নিজেদের শক্তি বলে মনে করে। তাদেরকে সামনে রেখেই মানুষ ধর্মের জয় অধর্মের পরাজয় দেখতে ভীষণ পছন্দ করে। বাস্তবে যদি এমন অধর্মের পরাজয় ঘটে তবে তাকে ঈশ্বরের আশীর্বাদ বলেই মেনে নেন তারা। আর দর্শকদের এই ভালো লাগাকে কেন্দ্র করে তাদেরকে বিনোদন (Entertainment) উপহার দিতে বাংলা ধারাবাহিকের (Bengali Serial) চ্যানেলগুলি নিয়ে আসে একের পর এক আধ্যাত্মিকতায় পরিপূর্ণ মেগা।
আমাদের সমাজে কখনোই কেবল ভালো বিষয়ে গুলি একমাত্র সত্য হয়ে উঠতে পারেনি, ভালোর পাশাপাশি মন্দকেও মেনে নিতে হয়েছে প্রতিটি মানুষকে। আর এই ভালো-মন্দ মিশিয়েই তৈরি হয়েছে মানুষের জীবন। আর এই বিষয়টি ফুটে উঠতে চলেছে আসন্ন ধারাবাহিক ‘মঙ্গলময়ী মা শীতলা’য়। এই ধারাবাহিকে প্রদর্শিত হবে অসুরের সাথে দেবীর লড়াই অর্থাৎ ধর্মের সাথে অধর্মের দ্বন্দ্ব।
এখানে দেখানো হবে সমস্ত দুরারোগ্য ব্যাধির প্রতিনিধি জ্বরাসুরকে বধ করতেই মর্ত্যে মঙ্গলময়ী শীতলা দেবীর আগমন। এখনও খোদ কলকাতায় নির্দিষ্ট সময়ে অর্থাৎ বসন্ত শেষে গ্রীষ্ম আসার আগে শীতলা দেবীর পুজো প্রচলনের কথা উল্লিখিত আছে। কিংবা বসন্ত, হাম দেখা দিলে দেবীকে স্মরণ করার রীতি প্রচলিত আছে। কেন রোগ নিরাময়ে এখনও শিক্ষিত বাঙালি দৈবনির্ভর? দেবীর জীবনকাহিনি বর্ণনার মাধ্যমে সেদিকটাই তুলে ধরতে চলেছে প্রযোজক সুরিন্দর ফিল্মস।
নারীশক্তিকে প্রাধান্য দেওয়ার এক অন্যতম প্রতীক হলো এই ধারাবাহিক। যেখানে শত্রুবিনাশ করে শীতলা একসময় দেবীতে রূপান্তরিত হন। এখান থেকে বোঝা যায় প্রতিটি সাধারণ মানুষের মধ্যেই ভগবান বাস করেন। গল্পটি আবর্তিত হবে কীভাবে শীতলা জ্বরাসুরকে পরাজিত করে দেবী হয়ে ওঠেন সেই নিয়ে। শিশু শীতলার ভূমিকায় দেখা যাবে শুভশ্রী চক্রবর্তীকে। জ্বরাসুর চরিত্রকে জীবন্ত করছেন গৌরব মণ্ডল। দেবী মহামায়া সুদীপ্তা চক্রবর্তী। এছাড়াও দেখা যাবে সোমা চক্রবর্তী, সৌগত বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়ক চক্রবর্তী প্রমুখ। পরিচালনায় শুভেন্দু চক্রবর্তী।

এই গোটা ধারাবাহিক টির প্রযোজনায় থাকবে সুরিন্দর ফিল্মস। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোন চ্যানেলে সম্প্রচারিত হবে এই মেগা? এই ধারাবাহিকটি সম্প্রচারিত হবে সান বাংলা চ্যানেলে। তবে কখন থেকে সম্প্রচার হবে এবং কবে থেকে এই ধারাবাহিকটিকে দেখতে পাবেন দর্শক মহল সে সম্পর্কে এখনো অব্দি চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কোন কিছু জানানো হয়নি।





