শিমুলের মুখে মরে যাওয়ার কথা শুনে শিমুলকে জড়িয়ে কাঁদছে শাশুড়ি, ‘কার কাছে কই মনের কথা’ দেখে চোখে জল অনুরাগীদের

জি বাংলার (Zee Bangla) একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল ‘কার কাছে কই মনের কথা’ (Kar Kache Koi Moner Kotha)। ধারাবাহিকটি বাস্তবে মেয়েদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া কিছু মুহূর্তকেই তুলে ধরছে অনবরত। ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুল (Shimul) বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি আসতে না আসতেই নিজের সকল স্বাধীনতা যেন হারিয়ে বসেছে। তার গান গাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করা, বাইরে যাওয়া – সবকিছুই বন্ধ করে দেয় শিমুলের শাশুড়ি ও স্বামী। তবে শিমুল বাড়ির গৃহিনী হলেও, একজন প্রতিবাদী রূপ তার মধ্যে রয়েছে।

বিয়ের পর কিছুদিন চুপ থাকলেও শিমুল বুঝে যায়, তাকে শ্বশুরবাড়িতে নিজের সম্মানের সাথে থাকতে হলে প্রতিবাদ করতে হবে। অন্যায় দেখলে শিমুল সর্বদা প্রতিবাদ করে, আর তাই সে সকলের কাছে খারাপ হয়ে গিয়েছে। বাড়ির ছেলেরা শিমুলের সঙ্গে মানাতে না পারলেও শিমুলকে মানাতে হবে, কারণ সে ঘরের বউ। শিমুলের স্বামীও শিমুলের সাথ দেয়না। সে সর্বদা শিমুলের দোষ দেখতে ব্যস্ত, এদিকে রাতেরবেলা স্বামীর অধিকার ফলায় শিমুলের উপর।

Watch Kar Kache Koi Moner Katha TV Serial Webisode of 25th August 2023 Online on ZEE5

শাশুড়ির ছেলেদের উপর অগাধ ভালোবাসা, তাই ছেলেদের কথা বিশ্বাস করে শিমুলকেই দোষী ভাবে। তবুও সেই শাশুড়ির মনের ইচ্ছা রাখতে শিমুল নিজের বালা বন্দক রাখে। তার শাশুড়ি কাশি ঘুরতে যাওয়ার জন্য ছেলেদের থেকে টাকা চাইলে তার আদরের কোনও ছেলেই টাকা দিতে প্রস্তুত হয় না। এদিকে যে বউমাকে সর্বদা অপমান করে, সেই শাশুড়ির কাশি যাওয়ার ব্যবস্থা করে। বাড়ির মধ্যে একজনই শিমুলকে খুব ভালোবাসে, সে হল শিমুলের ননদ পুতুল।

পুতুল সর্বদা শিমুলকে আগলে রাখে। যদিও সে মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন বলে ভাইরা তেমন পুতুলের খেয়াল রাখে না। কিন্তু শিমুল পুতুলের অনেক ভালোবাসে। সম্প্রতি বাড়িতে যখন কেউ ছিল না, তখনি হঠাৎ শিমুলের প্রাক্তন প্রেমিক শতদ্রু তার বোনের বিয়ের নিমন্ত্রণ করতে আসে। আর তাই দেখে পরাগ শিমুলকে সন্দেহ করে। শধু তাই নয়, পাড়ার সকলকে ডেকে এনে শিমুলের অপমান করে। যদিও সবাই শিমুলের সাথ দেয়।

Kar Kache Koi Moner Katha TV Serial Online - Watch Tomorrow's Episode Before TV on ZEE5

পরাগ ও পলাশের অনবরত খারাপ ব্যবহারে শিমুল রেগে গিয়ে তাদের খাবার করতে পারবে না বলে শাশুড়িকে জানায় শিমুল। শাশুড়ির কথায় পরে শিমুল রাজি হলেও সে খাবার বেড়ে দিতে পারবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়। শাশুড়িও ধীরে ধীরে শিমুলের উপর নরম হচ্ছে। সে শিমুলকে মানিয়ে নেওয়ার কথা বললে শিমুল বলে, এতো মানিয়ে নেওয়ার থেকে মরে যাওয়া অনেক ভালো। শিমুলের এই কথা শুনে শাশুড়ির চোখে জল এসে যায়। হয়তো শাশুড়ি এবার শিমুলের পাশে এসে দাঁড়াবে। কারণ একটাসময় শিমুলের মতোই শাশুড়ির অবস্থা ছিল।