গত কয়েকদিন ধরেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে স্টার জলসার ‘মেয়েবেলা’ ধারাবাহিক। রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের এই সিরিয়াল থেকে সরে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করেই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। রূপা গঙ্গোপাধ্যায় শুধু সিরিয়াল থেকে সরে দাঁড়াননি, মেয়েবেলার বিষয়বস্তুকে ‘রিগ্রেসিভ’ বলে আক্রমণও করেছেন। এই মুহূর্তে মউ-এর শাশুড়ির ভূমিকায় দর্শক দেখছে অনুশ্রী দাসকে।
রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের কামব্যাক শো হওয়া সত্ত্বেও এই মেগা শুরু থেকেই সেই অর্থে টিআরপি তালিকায় চমক দেখায়নি। ক্রিয়েটিভ টিম শুরু থেকেই জোর দিয়ে বলেছে টিআরপি-র পিছনে ছুটতে রাজি নয় তাঁরা। যদিও আজকের দিনে সিরিয়ালের মেয়াদ পুরোপুরিভাবেই টিআরপি-র উপরই টিকে থাকে তা অজানা নয় কারুর। সেরা ১০-এ জায়গা ধরে থাকলেও প্রথম পাঁচের দৌড় থেকে দূরেই থেকেছে মউ-ডোডোরা।
এর আগের পর্বেই দেখানো হয়েছিল বিথীর নজর এড়িয়ে তলে তলে মৌয়ের জন্য সাদা গোলাপ এনেছে ডোডো। এদিনের পর্বে দেখা গিয়েছিল মৌয়ের জন্য তার পছন্দের ফুল এনেছে সে। ফুল দিলে যেকোনো মেয়েই যে খুব খুশি হয় সেই জ্ঞান ভালোমতোই রয়েছে তার। শুধু এখানেই থেমে থাকে নি সে নিজের জামার সঙ্গে ম্যাচ করে মৌয়ের জন্য শাড়ি ব্লাউজ এনেছিল সে। এর জন্য অনেকে মজা করে বলছিলেন “বীথি মাসি কে খবর দাও তার ছেলে যে উড়ছে”।
ধীরে ধীরে কাছাকাছি আসছে ডোডো আর মৌ। বন্ধ দরজা আর আড়ালে তাদের কথোপকথন শুনে মুগ্ধ দর্শক মহল। দুটো বউকে বলছে তোর কি পছন্দ অপছন্দ তা আমি জানিনা তবে তোকে সাদা গোলাপে বেশ ভালো মানিয়ে ছিল। মৌ বলে বন্ধু হতে গেলে তো আগে দুজনকে দুজনার বিষয় জানতে হয় ভালো করে। সেই শুনে ডোডো বলে তাহলে শুরুটা প্রথমে আমিই করি তারপর সে মৌকে মজার ছলে আবার তার পরিচয় দেয়।
বলে নমস্কার আমি নির্ঝর মিত্র, পেশায় আর্কিটেক্ট। অপরদিকে মৌ বলে আমি মোহনা সাইকোলজিতে এমএসসি করছি। এরপর তারা দুজন হাত মেলায় আর বলে এবার থেকে ডোডো আর মৌ বন্ধু। তাদের এই কথোপকথন তাদের মধ্যে শুরু হওয়া নতুন সম্পর্ক খুব পছন্দ হয়েছে দর্শকদের। বিথীকার জাল ছিড়ে ধীরে ধীরে একে অপরের অনেক কাছে চলে আসছে মৌ আর ডোডো।





