পরাগের চাকরি হাতাতে নতুন ফন্দি আটলো পলাশ, মুখের ওপর পলাশকে নিজের ভাই বলতে অস্বীকার করলো পরাগ!

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে বর্তমানে জমে উঠেছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটি। কিছুদিন আগে যে গল্প দর্শকরা দেখছিলেন সেখান থেকে একেবারে অন্যদিকে মোড় নিয়েছে এই ধারাবাহিকের গল্প। বদলে গিয়েছে সবকিছুই। তবে টিআরপিতে এখনো অবধি পুনরায় নিজের আগের জায়গা ফিরে পায়নি এই মেগা। নতুন নতুন চমক এনে কর্তৃপক্ষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দর্শকদের মনে আবার ধারাবাহিকটিকে আগের জায়গায় প্রতিস্থাপন করার।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, একটা অনেক বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পরাগ। আর এই সব কিছুর পিছনে রয়েছে শিমুল। সে যদি না থাকতো তাহলে পরাগের বেঁচে থাকাটা কিছুতেই সম্ভব হতো না। তার ভাই পলাশ পরাগকে মারার জন্য সমস্ত বন্দোবস্ত করেই ফেলেছিল। শিমুল নিজের দায়িত্ব নিয়ে পরাগের চিকিৎসা করায়। সে পলাশকে ভুল প্রমাণিত করে।

কিন্তু পরাগ এখন বিকলাঙ্গ। তার হাঁটা চলার সমস্ত ক্ষমতাই সে হারিয়ে ফেলেছে। মধুবালা তাই ভীষণ চিন্তায় পড়ে গিয়েছে। কারণ পরাগ যদি কাজ করতে না পারে তাহলে তাদের খাবারের যোগান দেবে কে? পলাশ যে তাদের দেখবে না একথা অনেক আগের থেকেই বুঝতে পেরেছে মধুবালা। ঠিক এমন সময় তাদের পাশে এসে দাঁড়ায় শিমুল। সে মনে মনে ঠিক করে পরাগের চাকরিটা সে করবে এবং নিজের প্রাক্তন শ্বশুরবাড়িকে দেখবে। এর মাঝেই বিপাশা আর চন্দনের বিষয়টি নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়ে যায় শিমুল। একসাথে অনেকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হতে থাকে সে।

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, মোটামুটি কিছুটা সুস্থ হয়েছে পরাগ। যদিও হাঁটা চলার ক্ষমতা তার এখনো অবদি নেই। সে এখনো হাঁটতে চলতে অক্ষম। তাকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে এসেছে মধুবালা আর শিমুল। ঠিক তখনই আবার তার কাছে চলে আসে পলাশ। এবার সে নতুন করে চেষ্টা করে পরাগের মনটা বিষিয়ে দেওয়ার। তাই দাদা বাড়িতে ঢোকামাত্রই আবারো হাবিজাবি খারাপ কথা বলতে থাকে সে।

আরও পড়ুনঃ ৬ মাসের বিরতির পর ছোটপর্দায় ফিরছেন সোনামণি সাহা! অভিনেত্রীর কথায় দারুন খুশি ভক্তরা

ঠিক সেই সময় পরাগ পলাশকে বলে, “আমি তোর মুখ থেকে আর একটাও কথা শুনতে চাই না। তুই এখান থেকে চলে যা। আমার কোন বিষয়ে বা আমাদের কোন বিষয়ে তোকে আর মাথা ঘামাতে হবে না, আমি চাইনা তুই আমার কোন ব্যাপারে আমার পাশে থাক।” দাদার মুখে এসব কথা শুনে চমকে যায় পলাশ। এতদিন সে তার দাদাকে যেটাই বুঝিয়েছে তার দাদা সেটাই বুঝেছে আজ হঠাৎ করে তার মাথায় বুদ্ধির সঞ্চার হওয়ায় বেশি বিপাকে পড়েছে পলাশ।