পরাগকে ভালোবাসে শিমুল নিজের মুখেই জানালো সে! বাড়ি ফিরতেই নিজের খে’ল দেখাতে শুরু করলো প্রতীক্ষা!

ভুল মানুষ মাত্রই করে। যারা নিজের ভুলটা বুঝতে পেরে সেই ভুলগুলোকে শুধরে নিয়ে আবার সঠিক পথে ফেরার চেষ্টা করে তারাই প্রকৃত মানুষ। এই মুহূর্তে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথার (Kar kache koi moner kotha) নায়ক পরাগ এমনই একজন মানুষ হয়ে উঠতে চায়। তাই এখন শিমুল পরাগ জুটিকে বেশ পছন্দ করছেন দর্শক মহল।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এতদিন অবধি জেল বন্দী ছিল ধারাবাহিকের অন্যতম নেতিবাচক পলাশের স্ত্রী প্রতীক্ষা। কিন্তু তাকে বের করে আনার ব্যবস্থা করে ফেলেছে পলাশ। জামিন পাইয়ে দিয়ে তাকে এই মধুবালার বাড়িতেই এনে তোলার কথা জানিয়েছে সে। পলাশ মধুবালাকে জানিয়ে দেয় সে এই বাড়িতে নিজের ভাগটা বুঝে নিতে চায়। কিন্তু পলাশের ব্যবহার দেখে তাকে কিছুই দিতে চায় না মধুবালা। সেই নিয়ে তুলকালাম লেগে যায় শিমুলের শ্বশুরবাড়িতে।

পলাশ মধুবালাকে বলে, “এটা আমার বাবার বাড়ি। তাই এই বাড়ির উপর আমারও একটা অধিকার আছে। আর এই অধিকার বাইরের কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। তুমি আমাকে আমার ভাগটা লিখে দাও। আমি সেটা বেচে এখান থেকে চলে যাবো। আর এই বাড়ির দিকে ফিরেও তাকাবো না।” মধুবালা তখন বলে, “এই বাড়ির জন্য তুই ক’টাকা দিস? শুনে রাখ তুই একা নোস। পুতুল আছে পরাগ আছে তার পর তোর ভাগের পালা।”

অন্যদিকে চন্দন বিপাশাকে বলে, সে যেন দয়া করে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত না নেয়। এখনো তারা স্বামী স্ত্রী। বিপাশা স্পষ্ট জানায় তার ডিভোর্স চাই। বিপাশার শাশুড়ি মা তখন চন্দনকে বলে, “অনেক দোষ করেছো চন্দন, আর মেয়েটাকে কষ্ট দিয়ো না। ও যেটা চাইছে তুমি ওকে সেটা দিয়ে দাও। একই সাথে দুই বউকে নিয়ে সংসার করা যায় না। কেনো মেনে নেবে ওরা এসব?”

আরো পড়ুন: চরম দুঃসংবাদ অহনা দত্তের জীবনে! ক্যারিয়ারের শুরুতেই অনেক বড়ো ধা’ক্কার সম্মুখীন অভিনেত্রী!

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যায়, চন্দন বিপাশাকে বলছে, “তুমি কি আমাকে এখন আর একটুও ভালোবাসো না?” বিপাশা বলে, “না বাসিনা। এক কথা বারবার বললে আমার উত্তরটা পাল্টে যাবে না।” অন্যদিকে পরাগ শিমুলকে জিজ্ঞেস করে, সে কি তাকে ভালোবাসে? শিমুল তখন বলে, “ভালোবাসে বলেই তো বিশ্বাস করে আছে এখানে।” পরাগ তখন অবাক দৃষ্টিতে শিমুলের দিকে তাকিয়ে থাকে।