প্লুটোর মৃত্যুর পর অপরাধবোধে ভুগছে মিঠি! মেয়েকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে নতুনের সাহায্য নিল কমলিনী! মায়ের সিদ্ধান্তেই কি নষ্ট হয়ে যাবে মা মেয়ের সম্পর্ক?

স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক চিরসখা শুরু হওয়ার পর থেকেই দর্শকদের মন জয় করেছে। লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা এই গল্পে একদিকে আছে আবেগ, অন্যদিকে আছে টানটান নাটকীয়তা। টিআরপি তালিকায় ধারাবাহিকটি ইতিমধ্যেই ভালো ফল করছে। আর সাম্প্রতিক পর্বগুলো আরও বেশি টেনে নিচ্ছে দর্শকদের।

গত পর্বে দেখা গেছে, প্লুটোর মৃত্যুর পর মিঠি ভীষণ ভেঙে পড়েছে। সে নিজেকে দোষ দিচ্ছে বন্ধুর চলে যাওয়ার জন্য। মনের যন্ত্রণা এতটাই তীব্র যে, খাওয়া-দাওয়া সব বন্ধ করে দিয়েছে মিঠি। বারবার বলছে, তার জীবনে আর কোনো উদ্দেশ্য নেই। অনন্যা পুলিশ কেস করার কথা তুললেও তাতে মিঠির মনোভাব একটুও বদলাচ্ছে না। বরং নিজের অপরাধবোধে আরও ডুবে যাচ্ছে সে।

এই অবস্থায় এগিয়ে আসেন কমলিনী। তিনি মেয়েকে বোঝানোর চেষ্টা করেন, প্লুটো চাইত মিঠি বিদেশে পড়াশোনা করে বড় হোক, নিজের স্বপ্ন পূরণ করুক। তাই মেয়ের ভাঙা মনকে জোড়া লাগানোর চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু মিঠি কিছুতেই ঘর থেকে বেরোতে বা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইছে না। কমলিনীর মনে কষ্ট, যদি তিনি অনন্যার বিরুদ্ধে গিয়ে প্লুটোকে ফিরিয়ে আনতে পারতেন, তাহলে হয়তো আজ এই দিন দেখতে হতো না।

এরপরেই গল্পে আসে নতুন। কমলিনী তাকে সব খুলে বলেন, মিঠি একেবারে গুটিয়ে নিয়েছে নিজেকে। নতুনও জানায়, প্লুটোর শেষ সময়ে সেও দূরে সরে গিয়েছিল, তাই অপরাধবোধ তার মধ্যেও আছে। সে পরামর্শ দেয়, মিঠিকে একজন সাইকোলজিস্টের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত। অচেনা কারও সঙ্গে মনের কথা বললে হয়তো মিঠি একটু স্বস্তি পাবে। নতুন প্রতিশ্রুতি দেয়, সে সবসময় পাশে থাকবে। তবে তার আগে কমলিনীর অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করে নতুন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মেয়ের এই অবস্থায় কমলিনী কি আদৌ অনুষ্ঠানে যাবেন? আর নতুনের সাহায্যে কি মিঠি সত্যিই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে? নাকি এই সাহায্যই কোনো অজানা বিপদ ডেকে আনবে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আসন্ন পর্বেই।