দাদার শরীরে বি’ষ আছে শুনে পলাশের বেজায় আনন্দ দেখে সন্দেহ ডাক্তারের! উল্টোদিকে প্রতীক্ষার কথায় সন্দেহ বাড়লো পুলিশের!

কথায় আছে অতি চালাকির গলায় দড়ি। এবার ঠিক এমন কিছুই হতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথার (Kar kache koi moner kotha) প্রতীক্ষা এবং পরাগের সাথে। তাদের ব্যবহার সময়ের সাথে সাথে আরও রহস্যময় হয়ে উঠছে। আর সেটা সবার নজরে পড়ছে।

এই মুহূর্তে ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে পরাগকে ডাকতে এসে প্রতীক্ষা দেখতে পায় অসার অবস্থায় শুয়ে রয়েছে তার ভাসুর পরাগ। তার পাশে রাখা আছে একটা চায়ের কাপ প্লেট। সে বুঝতেই পেরেছিল সেটা খেয়েই পরাগের এমন একটা অবস্থা হয়েছে তাই তাড়াতাড়ি সেই কাপ প্লেট সরিয়ে রাখে প্রতীক্ষা। এরপর ডাক্তারের আগে পুলিশ ডাকে তারা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পুলিশ মধুবালাকে জিজ্ঞাসা করে যে তার কার উপর সন্দেহ হয়? তখন বাড়ির প্রত্যেকে মধুবালাকে ভেবেচিন্তে বলতে বলে। কারণ মধুবালার একটা স্টেটমেন্টের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে শিমুলের জেলে যাওয়া। মধুবালা তখন বলে, পলাশ আর প্রতীক্ষা সব আয়োজন করে বিয়েটা দিচ্ছে। তাই ওরা নিশ্চয়ই এমন কাজ করবে না। আর পুতুলও করবে না। তাহলে আর কে বাকি থাকছে?

মধুবালার কথায় রীতিমতো অবাক শিমুল সহ প্রত্যেকে। একটা মানুষ ঠিক কতটা অকৃতজ্ঞ হলে এমন একটা অভিযোগ আনতে পারে! যে মেয়েটা ডিভোর্স এর পরেও শুধু মাত্র শাশুড়ি ননদের জন্য ওই বাড়িতে থেকে যায়, তার বিরুদ্ধে এমন কিছু বলতে একবারও গলা কাঁপলো না মধুবালার? সবাই আশ্চর্য হয়ে যায় আর শিমুলের ভাগ্যের প্রতি করুণা হয়। এরপর দেখা যায় পরাগকে হসপিটালে নিয়ে এসেছে পলাশ। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানায় পরাগের পেতে বিষ রয়েছে। যেটা শুনে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে পলাশ আর বলে ওঠে সে নাকি আগের থেকেই জানতো যে এটা শিমুল করেছে।

আরো পড়ুন: কার কাছে কই মনের কথার নতুন প্রোমো! পরাগকে খু’নের অপবাদ থেকে বাঁচাতে শিমুলের পাশে এসে দাঁড়াবে নতুন কেউ!

অন্যদিকে প্রতীক্ষা চলে যায় পুলিশ স্টেশনে। সে বলে শিমুলকে যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অ্যারেস্ট করা হয়। তখন পুলিশ অফিসার তাকে জানায় শিমুলের বিরুদ্ধে তাদের কাছে কোন প্রমাণ নেই তাই তাকে ধরে রাখা যাবে না। প্রতীক্ষা জোর দিয়ে বলে শিমুলই এই কাজ করেছে, চাইলেই এই প্রমাণ তারা জোগাড় করতে পারবে। এসব শুনে প্রতীক্ষার উপর সন্দেহ হয় পুলিশের। এরপর কথা না বাড়িয়ে তারা হসপিটালে চলে আসে। এর পাশাপাশি আসে প্রিয়াঙ্কার বাড়ির লোকজনও। তারাও শিমুলকেই দোষারোপ করতে থাকে।