শুরু হতে চলেছে স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপার নতুন জীবন। অনেকদিন কোন কারন ছাড়াই এই সমাজ পরিবার প্রাক্তন স্বামী সবার থেকে কষ্ট পেয়েছে সে। নিজের প্রাক্তন স্বামীর অর্থাৎ নায়ক সূর্যর অবিশ্বাসের ভাগীদার হয়েছে সে। এবার সবকিছুকে পেছনে ফেলে একটু শান্তির মুখ দেখতে চাইছে দীপা। আর এই মুহূর্তে তার কাছে সব থেকে বড় শান্তির জায়গা হল অর্জুন চক্রবর্তী। ধীরে ধীরে এখন সেই গল্পের প্রধান নায়ক হয়ে উঠছে এবং দর্শকদের মন থেকে মুছে যাচ্ছে সূর্য।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এত কিছুর মাঝেও অর্জুন ভোলেনি, পহেলা বৈশাখের দিন দীপার জন্মদিন। দীপার অনুপস্থিতিতে সে সবার সঙ্গে দীপাকে কোথায় একেবারে চোখে দেওয়ার জন্য নানা রকম প্ল্যান করতে থাকে। কোথায় কিভাবে সাজাবে কি কি নিয়ে আসা হবে সবকিছু সবাইকে জানিয়ে দেয় সে। অন্যদিকে পৃথা মনে মনে ভাবতে থাকে, এই মুহূর্তে সবার সামনে আসল সত্যিটা না বলে একদম জন্মদিনের দিন প্রত্যেককে সাক্ষী রেখে যদি সে এ সত্যিটা সবার সামনে আনে তাহলে বোধহয় অনেক বেশি কাজ হবে। এই বলে নিজের মনে মনেই খুশি হয়ে যায় পৃথা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পৃথা সোজা চলে যায় ভিক্টরের কাছে। সে ভিক্টরকে বলে, “তোমায় এমন কিছু করতে হবে যাতে আরো সাতটা দিন তুমি এখানে থেকে যেতে পারো। কারণ আমার আর সাত দিন লাগবে সবটা ভেঙে ফেলতে। এই নববর্ষে দীপা আর অর্জুন আমার থালায় করে একটা সুযোগ দিয়েছে আর সে সুযোগ আমি কিছুতেই হাত ছাড়া করবো না। আজ আমি ওদের মধ্যেকার সম্পর্কর সুতোটা কেটে দেবো। তারপর সাত দিন লাগবে দীপাকে ওই বাড়ি থেকে তাড়াতে। এরপর শুধু তুমি আর আমি থাকবো।” মায়ের কথা শুনে বেশ চমকে যায় ভিক্টর। কিন্তু এই মুহূর্তে মায়ের কথা শোনা ছাড়া তার কাছে আর কোন উপায় নেই, কারণ সে নিজে অনেক বড় বিপদে জড়িয়ে রয়েছে।
এইদিকে দেখা যায় অর্জুনের বোন অহনা দীপাকে সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে সেই জায়গায় নিয়ে চলে আসে যেখানে অর্জুন দীপাকে একটা অনেক বড় চমক দিতে চলেছে। দীপা ঢুকতেই গিটার হাতে একটা গান গেয়ে শোনায় অর্জুন। তারপর গোটা ঘরের সাজসজ্জা দেখে রীতিমতো অবাক হয়ে যায় দীপা, সে ভাবতেও পারে না শুধুমাত্র তার খুশির জন্য কেউ এত কিছু করতে পারে। এরপর সেখানে একে একে চলে আসে দীপার প্রাক্তন শ্বশুরবাড়ির লোকজন আর তারপর আসে পৃথা। সে এসে যখন দীপাকে উপহার তুলে দেয় তখনো অবদি সবটা ঠিক ছিল। তারপর নিজের খোলস ছাড়ে পৃথা। সে সবার সামনে বলে অর্জুন আর দীপা অবিবাহিত তারা লিভিং করছে। এটা শুনে সবাই দীপাকে ধিক্কার জানায়।
এরপর সেখানে চলে আসে খোকা। তার হাত থেকে অর্জুন আংটিটা নেয় আর দীপার সামনে বসে তাকে বলে, সারা জীবনের জন্য সে দীপার বন্ধু হতে চায় দীপার ভালো খারাপের সঙ্গী হতে চায়। দীপা অর্জুনের দিকে হাত বাড়াতে যাবে এমন সময় চিৎকার করে ওঠে জয়। সে বলে, দীপার নতুন করে বাঁচার কোন অধিকার নেই। দীপা যেটা করছে সেটা অন্যায়। এসব নাটক জানো তখনই বন্ধ করা হয়। সবটা শুনে বেশ ভয় পেয়ে যায় দীপা। সে বুঝে উঠতে পারে না তার কি করা উচিত। অন্যদিকে আংটি হাতে দীপার অপেক্ষায় বসে থাকে অর্জুন। দীপা কি তবে জয়ের কথায় নিজেকে গুটিয়ে নেবে নাকি সবার সবকিছুকে অমান্য করে নিজের মনের কথা শুনবে?





