অর্জুনের মাথায় হাত বুলিয়ে তাকে শান্ত করলো দীপা, পৃথার চালাকিও ধরে ফেলল সে!

নিজের ভালোটা না বুঝে বার বার নিজের মেয়েকে সর্বনাশের মুখে ঠেলে দিয়েছে স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের অন্যতম প্রধান চরিত্র নায়িকা দীপার কাকি শাশুড়ি অনুজা। ঠিক ভুল না ভেবেই ভালো মন্দ দীপাকে কোণঠাসা করছে সে। আর্চার বার দীপার সাবধান বাণী না শুনে ভয়ংকর বিপদে পড়ছে। গল্পের একঘেয়েমি প্লট এর জন্য ধারাবাহিকের টিআরপি অনেকটাই কমে গিয়েছে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, নিজেকে বাঁচাতে গেলে নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিতেই হবে এটা খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছিল ভিক্টর। তাই সে জেলের মধ্যে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করে আর নাটক করে একটা চিঠি লেখে। সেই চিঠিটা দেখে তিস্তা দুর্বল না হলেও অনুজা ভিক্টরের প্রতি বেশ খানিকটা নরম হয় আর তিস্তাকে সমস্ত অভিযোগ তুলে নিতে বলে। অর্জুন আর দীপা এর তীব্র বিরোধিতা করে। এরপর অর্জুন ভিক্টরকে রক্ত দেয়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কাকিয়া বারবার বোঝানোর চেষ্টা করে তিস্তাকে তার ঘরটা বাঁচাতেই হবে। কিন্তু তিস্তা বলে, সে আর কোনভাবেই অন্যায়ের সাথে আপোষ করবে না। ভিক্টরকে সে ক্ষমা করবে না। এমন সময় ডাক্তার এসে বলে পেশেন্ট অনেকটাই ঠিক রয়েছে। বাড়ির লোক চাইলে দেখা করতে পারে। তখন ভিক্টরকে দেখতে যায় পৃথা। সে তার ছেলেকে বলে, “এইবার অনেক বাড়াবাড়ি হয়ে গেল। খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারতো। সুস্থ হওয়ার পর এমন কিছু করো না যাতে এই গোটা নাটকটা বিফলে যায়।” ভিক্টর বলে, তার মা যেনো সবটা নিজে নিজে আত্মসাৎ না করে নেয়।

এরপর দেখা যায়, সোনা রুপাকে খাইয়ে দিচ্ছে অর্জুন। তাদেরকে তাড়াতাড়ি স্কুলে যেতে হবে। ঠিক সেই সময় সেখানে এসে হাজির হয়, অর্জুনের মা পৃথা। সে বলে, এই মুহূর্তে খুব একা হয়ে পড়েছে সে। তার কোন জায়গা নেই যেখানে গিয়ে সে একটু শান্তি পেতে পারে। খোকা কিছুতেই চায়না পৃথা সেখানে থাকুক। কিন্তু পৃথা বারবার কান্নাকাটি করে অর্জুনের মন গলানোর চেষ্টা করে। অর্জুন তখন বলে, যখন তারা মা মা বলে চিৎকার করেছে তখন তো একবারও তাদের কথা মনে পড়েনি? তাই আজ মায়ের অধিকার ফলাতে যেনো সে না আসে। পৃথা চলে যায়। অর্জুন কান্নায় ভেঙে পড়ে। দীপা অর্জুনের মাথায় হাত বুলিয়ে তাকে শান্ত করে আর বলে সে তার পাশে আছে।

আরো পড়ুন: স্টার জলসায় তারকাদের চাঁদের হাট! নববর্ষের মহা লগ্নে ভক্তদের নতুন চমক দিতে চলেছে চ্যানেল!

এদিকে তিস্তা তার মাকে বলে, “বৌদি যেটা বুঝেছে, তুমি মা হয়েও সেটা বুঝতে পারোনি। এই বিয়েটা আমার জীবনের ভুল ছিল। বৌদিদি আর অর্জুন দা আমায় আটকে ছিল কিন্তু আমি শুনিনি। এখন আমি আমার নিজের ভালোটা বুঝতে পেরেছি। ভিক্টর যদি বেল পায়, আমি ওর বিরুদ্ধে ডিভোর্সের মামলা করবো।” এসব শুনে অবাক হয়ে যায় কাকিয়া। দীপা চলে যায় পৃথার বাড়ি। সে বলে, যদি অর্জুন আর পৃথার মাঝে কেবল অভিমানের পাহাড় থেকে তাহলে দীপা সেটা ভেঙে দেবে। তখনই পৃথার বাড়ির কাজের লোক এসে বলে, পৃথার কথা মতন সে ক্ষির কদম এনেছে। এটা শুনে দীপা বলে, “আমি তো ভেবেছিলাম আপনার নেওয়া খাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে আর আপনি মিষ্টি খাচ্ছেন? ওটা আপনার গলা দিয়ে নামবে?” ধরা পড়ে যায় পৃথা।