যখন তখন যা খুশি করা যায় না এবং করলেও যে সেটা সবাই মেনে নেবে না সেটা আবারও প্রমাণ করে দিল জি বাংলা (Zee Bangla) কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিক। যারা অন্যায় সহ্য করে নেয় তাদের সাথে কখনোই ভালো কিছু হতে পারে না। প্রতিবাদ করে অন্যায়কারীকে শাস্তি না দিলে তারা ভেবে নেয় যা খুশি তাই করলেই তারা ছাড় পেয়ে যাবে। এতদিন অব্দি শিমুল সেটাই করে এসেছে, সবাইকে ক্ষমা করে এসেছে। যার ফলস্বরূপ নিজেই এখন সে জেল বন্দী।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, কোনরকম অপরাধ না করেও কেবলমাত্র মানুষের ভালো চেয়ে আজ জেলবন্দী শিমুল। মিথ্যে অভিযোগ চাপিয়ে দিয়ে তাকে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগটা এমন যে এত সহজে ছাড় পাওয়া একেবারেই সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তার সমস্ত কাছের মানুষজন হাত তুলে নিয়েছে। আর ঠিক এই সময় আবারও শিমুলের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে শতদ্রু।
সে সাথে করে উকিল নিয়ে আসে এবং শিমুলের সাথে কথা বলে। উকিল শিমুলের সাথে কথা বলে বুঝতে পারে, শিমুলের লড়াই করার ইচ্ছেটাই হারিয়ে গিয়েছে। সে যেন এভাবেই সবটাকে মেনে নিয়েছে। নিজের জীবনটা যেইদিকে যাচ্ছে সেই দিকেই ভেসে যাচ্ছে শিমুল। আর এভাবেই কোন অপরাধ না করে শুধু শুধু জেলে পড়ে রয়েছে সে। এত কিছুর মাঝেও নিজের ইগো আর আত্মসম্মান গুলোকে বিসর্জন দিতে পারেনি শিমুল।
শতদ্রু বুঝতে পারে, এই মুহূর্তে শিমুলের জীবনে ভীষণভাবে তাকে প্রয়োজন। সে ছাড়া এখন শিমুলকে সাহায্য করার মতন আর কেউ নেই। তাই শিমুলকে যদি বাঁচাতে হয় তাহলে তাকে তার সাথে তার পাশে থাকতে হবে। আর বিয়ে করে সেই পাশে থাকাটা তার পক্ষে সম্ভব হবে না। তাই প্রথমে আশীর্বাদ বাতিল করে শতদ্রু। আর তারপর সবার সামনে জানিয়ে দেয় সে এই বিয়েটা করতে পারবে না। কিন্তু এই গোটা বিষয়টা রূপরেখা মোটেই ভালোভাবে নেয়নি। সে এই অপমান মুখ বুঝে মেনে নেবে না।
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, সঙ্গে করে পুলিশ নিয়ে শতদ্রুর বাড়িতে চলে এসেছে রূপরেখা। সে এসে শতদ্রুকে বলে, সবার সঙ্গে সব কিছু করা যায় না। আর পুলিশকে বলে, এই ছেলেটি তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আশীর্বাদের জন্য বাড়িতে ডেকে এনে বিয়ে করবে না বলে প্রতারণা করেছে। ফলস্বরূপ শতদ্রুকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ।





