শিমুলকে বাঁচাতে অবশেষে শতদ্রুর সাহায্য নিল বিপাশারা, জেলে থাকা কয়েদিদের বন্ধু বানালো শিমুল!

শিক্ষিত তাকেই বলে যার ব্যবহার ভালো। আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষ আছে যারা নামেই শিক্ষিত। সবার সাথে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই। কিন্তু জি বাংলার (Zee Bangla) কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকটির নায়িকা শিমুল আবারো একবার প্রমাণ করে দিল আসল শিক্ষা কাকে বলে। বর্তমানে এক চরম সংকটের মধ্যে রয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা।

আরো পড়ুন:টিআরপি টানতে ধারাবাহিকে প্রবেশ করছে নতুন নায়ক!শিমুলের বিপরীতে দেখা মিলবে হানি বাফনার!

 

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, জেলে পড়ে রয়েছে শিমুল। সে নাকি খুন করতে গিয়েছিল! এটাই তার অপরাধ। কিন্তু আদতে সে একেবারেই নির্দোষ। কিন্তু এটা প্রমাণ করতে যে সহযোগিতা অর্থ ইত্যাদি প্রয়োজন সেটা শিমুলের নেই। তাকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে তার প্রতিবেশী বান্ধবীরা কারণ তার পরিবার তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শতদ্রু বিপাশাদের বলে, “একজন ভালো উকিল বর্তমানে কত টাকা নিতে পারে সেই বিষয়ে তোমাদের কোন ধারনা নেই। আজ হয়তো তোমরা দিচ্ছ কিন্তু এই কেস কতদিন ধরে চলবে সেটা কেউ জানেনা। ততদিন অবধি তোমাদের টাকা খরচা করে যেতেই হবে। আর এটা তোমাদের পক্ষে সহজ হবে না। আমি এমন একজন উকিলকে চিনি যিনি খুব তাড়াতাড়ি শিমুলকে বাইরে বের করে আনতে পারবেন।” শতদ্রুর কথাগুলোকে যুক্তিযুক্ত বলেই মনে হয় তাদের।

অবশেষে শতদ্রুর সাহায্য নিতে রাজি হয়ে যায় তারা তবে তাদের মনে একটা প্রশ্ন জাগে। শিমুল যদি বেরিয়ে এসব জানতে পারে তাহলে খুব রাগ করবে। তখন শতদ্রু তাদের বলে, “ওকে যা করার করতে দাও। আজ নিজের জেদের জন্য এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে শিমুল। ও যদি ওই বাড়িতে পড়ে না থাকতো তাহলে এসব কিছুই হতো না। যাদের জন্য এত করল তারা কিন্তু কেউ ওকে দেখছে না।” এরপর শতদ্রু বিপাশাদের সাথে লইয়ার নিয়ে আলাপ আলোচনা করতে থাকে।

 

এদিকে জেনের আর পাঁচটা কয়েদিদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে বেশ ভালো একটা সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায় শিমুলের। প্রথমে তারা শিমুলকে একগুঁয়ে মনে করলেও পরবর্তীতে তারা বুঝতে পারে শিমুলের মতন ভালো মনের মেয়ে আর দুটো হয় না। তাদের মতন আসামিদের মনও শিমুলের কথায় গলে যায়। শিমুল আরো একবার প্রমাণ করে, সে অত বেশি শিক্ষিত না হলেও তার মধ্যে যে গুণগুলো রয়েছে সেটা আজকের দিনে অনেক মানুষের মধ্যেই বিলুপ্ত।