পুজোর আগেই ভা’ঙল পা! ইমনের পর্দা ফাঁ’স করল বেলুনওয়ালার গামছা! জমে গেল আজকের পর্ব

বাংলার বেশকিছু জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে একটি হল স্টার জলসার (Star jalsha) ‘শুভ বিবাহ’ (Subho Bibaho) ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকের নতুন নতুন গল্পের টুইস্ট এবং তেজ সুধার জুটি ধারাবাহিকটিকে দিনে দিনে আরও ইন্টারেস্টিং করে তুলেছে। যার কারণে টিআরপি তালিকায়ও প্রতি সপ্তাহতে মোটামুটি ভালোই ফলাফল করতে দেখা যাচ্ছে এই ধারাবাহিককে। ধারাবাহিকের গল্প আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে একটু আলাদা। সেই কারণে ধারাবাহিকটি আরো বেশি করে পছন্দ দর্শকদের।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে তেজ সবাইকে নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছে। সাথে ছিল ইমনও। একদিকে সুধা ঝাল ফুচকা খাচ্ছে দেখে ইমনও সুধাকে চ্যালেঞ্জ করে সেই ফুচকা খায়। আর সে ফুচকা খেয়ে ইমনের খুব ঝাল লেগে যায়। আর ইমন নাটক করে তেজের কাছে যায়। ইমনের এই অবস্থা দেখে তো তেজ সুধার উপর রেগে তাকে অনেক কথা শুনিয়ে দেয়।

Shubho Bibaho, Star jalsha, Bengali Serial, Serial, Bengali Telivision, শুভ বিবাহ, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Shubho Bibaho Today Episode 16 October, শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ১৬ অক্টোবর, শুভ বিবাহ আজকের পর্ব

শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ১৭ অক্টোবর (Shubho Bibaho Today Episode 17 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে তেজের কথায় রা’গ করে সুধা সেখান থেকে চলে আসে এবং ইমনের প্ল্যান মত ফন্টে এবং তার গু’ন্ডারা সুধাকে ঘিরে ধরে। তাকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সুধা নিজেকে অনেক বাঁচানোর চেষ্টা করলেও পারে না। এর পরে অনেক চেষ্টা করে সুধা তাদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে পালিয়ে যায় সেখান থেকে। ওদিকে ইমনকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য গাড়িতে তোলে তেজ। ঠিক সেই সময় ঝিনুক তেজকে ফোন করে জানায় সুধাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তাকে ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। এই খবর শুনে তেজ ইমনকে ফেলে ছুটে যায় সুধাকে খুঁজতে। তারপর ইমন ফোন করে ফন্টেকে বলে যাতে সুধা বেঁচে না ফিরতে পারে। তারপর তেজ, ঝিনুক, সমুদ্র বেরিয়ে পড়ে সুধাকে খুঁজতে।

সুধাকে বি’পদে ফেলতে গিয়ে ফাঁ’দে পড়ল ইমন

সুধা গু’ন্ডাদের হাত থেকে দৌড়ে পালাইতে যাওয়ার সময় সেখানে উপস্থিত হয় তেজ। তারপর গুন্ডাদের সাথে মা’রপিট করে সুধাকে সেখান থেকে রক্ষা করে তেজ। এরপর ইমন ফন্টেকে বলে সুধাকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মেরে দিতে। কিন্তু সুধার বিপদ হওয়ার আগেই তাকে বাঁচিয়ে নেয় তেজ আর গাড়ি গিয়ে সোজা ধা’ক্কা মারে ইমনকে, যার জন্য ইমনের পা ভে’ঙে যায়। এদিকে বসু মল্লিক বাড়িতে গিয়ে সুধার জেঠি, বৌদি এবং দোয়েল মিলে পুজোর জামা কাপড় দিতে যায়। আসলে তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সমুদ্রের গলায় দোয়েল কে ঝুলিয়ে দেওয়া। কিন্তু তাদের কোন প্ল্যানই সফল হলো না কাননবালা দেবী কোনমতেই আচার্য বাড়ির আর কোন মেয়েকে তার বাড়ির বউ করবে না। এ কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

এদিকে তেজ সুধা সবাই মিলে ইমনকে হাসপাতালে নিয়ে যায় তার চিকিৎসা করানোর জন্য। সেখানে গিয়ে ইমন আরও নাটক করতে থাকে। তখনই সুধা এবং ঝিনুক মিলে ইমনের পর্দা ফাঁ’স করে। ঝিনুক জানিয়ে দেয় যে ইমন ইচ্ছে করে সুধাকে মা’রার জন্য প্ল্যান করেছিল। আর সেই ফাঁ’দে ইমন নিজেই পড়ে গিয়েছে। সুধাও জানায় এর আগেও ইমন বহুবার সুধার ক্ষতি করতে চেয়েছে। সুধা এবং ঝিনুকের কথা শুনে তো বেশ অবাক হয় তেজ। বুঝতেই পারেনা ইমন এই ধরনের কাজ করতে পারে। এবারে দেখার অপেক্ষা ইমনের আসল চেহারা তেজের সামনে ধরা পড়ে কিনা।