স্বামী এবং শ্বশুর বাড়ি সুধার প্রাণ! তাদের অপমান আটকাতে বিরাট পদক্ষেপ নিল নায়িকা!

বাংলা ধারাবাহিক জগতে জনপ্রিয় সমস্ত ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো স্টার জলসার ‘শুভ বিবাহ’ (Subho Bibaho)। এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে সমাজের কাছে একটি অন্যরকম বার্তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আর ধারাবাহিকের ভিন্ন ধরনের গল্পের কারনে দর্শক ধারাবাহিকটি এত তাড়াতাড়ি পছন্দ করতে শুরু করেছেন। ধারাবাহিকের জুটি তেজ এবং সুধা কেও দর্শক ইতিমধ্যে পছন্দ করতে শুরু করেছেন। টিআরপি তালিকায় প্রতি সপ্তাহে মোটামুটি ভালই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে তেজের কাকা সুধার বাপের বাড়ি উকিল নিয়ে মিথ্যে অভিযোগ করতে গিয়েছে সকলের অজান্তে। সেখানে গিয়ে উকিলের সাহায্যে সুধার পরিবারের উপর জোচ্চুরি এবং মানহানির মামলা দায় করা হয়। এইসব ঘটনা শুনে সুধার মা লজ্জায় অপমানে নিজেকে ঘর বন্দী করে ফেলে। অন্যদিকে সুধার বোন, দিদি সকলে মিলে সুধাকে দোষারোপ করতে থাকে।

Shubho Bibaho Today Episode 19 September

শুভ বিবাহ আজকের পর্ব 20 সেপ্টেম্বর (Shubho Bibaho Today Episode 20 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে সুধা তার মায়ের খবর পেয়ে ছুটে আসে বাপের বাড়ি। বাড়ির লোকজন হাজার ডাকা সত্ত্বেও দরজা খোলে না। মেয়ের অপমান সইতে না পেরে গায়ে আগুন দিতে যায়। তখন সেখানে এসে উপস্থিত হয় সুধা। সে এসে দরজা ভেঙে ঢুকে মাকে বাঁচিয়ে নেয়। এরপরে সকলে মিলে সুধাকে প্রশ্নে প্রশ্নে জেরবার করতে দিতে শুরু করে। সুধার বোন এবং বৌদি মিলে নানান রকম কথা শোনাতে থাকে। তারা জানায় যে তেজ তাদের উপরে ৩০ লক্ষ টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছে। না হলে তাদের বাড়ি থেকে সোজা জেলে যেতে হবে। এই কথা শুনে প্রথমে সুধা কিছুতেই বিশ্বাস করতে চায় না। কিন্তু পরে তার বোন তাকে তেজের সই করা কাগজ দেখায়।

অন্যদিকে সুধাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে বারবার তাকে ফোন করতে থাকে তেজ। সুধা ফোন না ধরলে ঝিনুক কে ফোন করে সুধার খোঁজ নেই এবং বলে সন্ধ্যা আরতির জন্য সময় হয়ে এসেছে সুধা যেন তাড়াতাড়ি চলে আসে। এরপরই ঝিনুক জানায় সুধা যাবে না আর। ঝিনুকের কথা শুনে তেজ কিছুই বুঝতে পারে না। তারপরে ঝিনুকের হাত থেকে ফোনটা কেড়ে নিয়ে সুধার বৌদি তেজকে যা নয় তাই বলে অপমান করে। আর জানিয়ে দেয় যে সুধা আর কোনদিনও তাদের বাড়িতে ফিরবে না। অন্যদিকে সুধা কিছুতেই মানতে পারেনা যে তেজ তাদের সঙ্গে এরকম কিছু একটা করতে পারে। সুধা নিজের বাপের বাড়ি আছে জেনে তেজও রওনা দেয় সুধার বাড়ির উদ্দেশ্যে।

এরপর ফ্যাক্টরি পুজোতে খোঁজ পড়ে তেজের। তখন তেজের দিদি অর্থাৎ জোছনা ঠাম্মিকে জানাই তেজের আজকাল মন নেই পুজোতে। সে গেছে সুধার সঙ্গে বাড়িতে দেখা করতে। তারপরে ঠাম্মি তেজের গাড়ির ড্রাইভারকে ফোন করে তেজের খোঁজ নিয়ে জানতে পারে তেজ গিয়েছে সুধার বাপের বাড়িতে। এই শুনে তো তেজের ঠাম্মি ভীষণই আশ্চর্য হয়ে যান। এরপর দেখা যায় সুধাদের এদের বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় মিডিয়ার লোকজন। সাথে আড়াল থেকে সবকিছু দেখতে থাকে তেজ। প্রথম মিডিয়ার লোকজনদের দেখে ঘাবড়ে যায় সুধা। পরে তাদের এখান থেকে বেরিয়ে যেতে অনুরোধ করে।

কিন্তু সুধার বৌদি সুধাকে বলতে থাকে এটাই সুযোগ সুধা যেন সত্যি কথাটা সবার সামনে বলে দেয়। তাহলেই তাদের লাভ। কিন্তু সুধা যদি এখনও চুপ করে থাকে তাহলে সুধাকে আরো অত্যাচার করবে। কিন্তু সুধা বলতে থাকে সে থাকতে বসু মল্লিক পরিবারের কোনো অপমান হবে না। তখন সুধার বৌদি সুধাকে বলে যদি সুধা এখানে মুখ না খুলে তাহলে সুধার মা এবং বোনকে এ বাড়িতে জায়গা দেওয়া হবে না। এবারে দেখার অপেক্ষায় এই কথা শোনার পর সুধা কি সিদ্ধান্ত নেয়।