এই মুহূর্তে বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো স্টার জলসার (Star jalsha) ‘শুভ বিবাহ’ (Subho Bibaho)। ধারাবাহিকটি প্রায় প্রতি সপ্তাহেই ধীরে ধীরে দর্শকদের মনও জয় করে নিচ্ছে। ধারাবাহিকটি খুব অল্প সময় হয়েছে শুরু হয়েছে টিভির পর্দায়। এই ধারাবাহিকের চেয়েও ধারাবাহিকের জুটি বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে দর্শকমহলে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে সুধাকে বিপদে ফেলার জন্য নতুন প্ল্যান শুরু করেছে ইমন। কিভাবে সুধাকে তার পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া যায় সেই চিন্তাই করতে থাকে সে। এরপরে দেখা যায় গণেশ ঠাকুর বিসর্জন দেওয়ার জন্য বাড়ির প্রত্যেকেই হইচই করছে, আনন্দ করে প্রত্যেকে ঠাকুর বিসর্জন দিতে যাচ্ছে। কিন্তু বসু মল্লিক বাড়ির মেয়ে বউদের ভাসানে যাওয়া মানা। সুধার সঙ্গে ঠাম্মির সেই নিয়েই তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। যদিও পড়ে সুধার কথার কাছে মাথা নত করতে হয় ঠাম্মিকে। এরপরে সকলে মিলে বিসর্জনের উদ্দেশ্যে যায়। ইমনও ছদ্মবেশে সুধার ক্ষতি করতে পৌঁছে যায় সেখানে। এরপর সুধাকে ইমন সবার চোখের আড়ালে সুযোগ বুঝে জলে ধাক্কা দিতে যায়।
শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ২৮ সেপ্টেম্বর (Shubho Bibaho Today Episode 28 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে সুধাকে বাঁচাতে গিয়ে তেজ নিজেই জলে পড়ে গিয়ে বিপদের মুখে পড়ে যায়। এদিকে তেজ সাঁতার জানে না। তেজ জলে পড়ে যাওয়ার পর সবাই চিৎকার করতে থাকে তেজকে বাঁচানোর জন্য। ঠাম্মি, মা, বাবা, জোছনা সকলে মিলে তেজের জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠে। অন্যদিকে এই অবস্থাতেও সুধাকে দোষ দিতে ছাড়েনা ঠাম্মি ও জোছনা। তারা রীতিমতো সুধাকে ভয় দেখাতে থাকে যে তেজের যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে তারা সুধাকে এবং তার পরিবারকে ছেড়ে কথা বলবে না।
এদিকে সুধা তো নিজেও তেজের জন্য চিন্তা করতে থাকে। এরপর সুধার বোন নিয়ে ঝিনুক বলে সে সাঁতার জানে সে জলে নেমে জামাইবাবুকে ঠিক বাঁচিয়ে আনবে। কিন্তু তাকে বাধা দেয় সমুদ্র। এরপর সুধা কিছু না ভেবেই ঝাঁপ দিয়ে দেয় জলে। সেও সাঁতার জানে, ঝিনুক সবাইকে বলে সুধা ঠিক তার জামাইবাবুকে উদ্ধার করে আনবে। অন্যদিকে মেজকাকু উস্কানি দিতে থাকে সকলকে। এর কিছুক্ষণ পরেই দেখা যায় সুধা তেজকে নিয়ে আসতে নদীর পাড়ে। এদিকে যেহেতু তেজ সাঁতার জানতো না তাই তার পেটে অনেক জল ঢুকে যায়, অনেক চেষ্টা করে সুধা তার পেট থেকে জল বের করে। সুধার জন্য এবং গজনের আশীর্বাদে তেজ আবার বিপদের হাত থেকে ফিরে আসে। অন্যদিকে ঝিনুক ইমনকে দেখতে পেয়ে তাকে তাড়া করে। যদিও তার মুখ দেখতে পায় না। কিন্তু ইমনের গাড়ি দেখে ঠিকই চিনতে পারে ঝিনুক। সে বুঝতে পারে এই সব কিছুর পেছনে হয়তো ইমন রয়েছে।
এরপর তেজকে নিয়ে সবাই বাড়ি পৌঁছায়। বাড়িতে গিয়ে সকলে তেজের খোঁজখবর নিতে থাকে, তার সেবা-শুশ্রূষা করতে থাকে। আর দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে দেখতে থাকে সুধা। তেজের ঘরে ঢোকাও নিষিদ্ধ তার। এর কিছুক্ষণ পরই তেজের ঘরে তেজকে দেখতে আসে ঠাম্মি। তখনই সুধাকে ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হাজারটা কথা শোনায় সুধাকে। ঠাম্মি বলে সুধার জন্যই তেজের আজ এই অবস্থা। তেজের জীবন বাঁচানোর পরেও সুধাকে নানান কথা বলে ছোট করতে থাকে ঠাম্মি। সুধার গুরুত্ব সে বুঝতেই পারে না।
আরও পড়ুন: এতবছর বাদেও নিজের মেয়ে সোনাকে চিনতে ভুল করেনি দীপা, তবে এবারে কি এক হবে তিনজনে?
অন্যদিকে সুধার এই সমস্ত আচার-আচরণে বেশ অভিমান হয়েছে তেজের, মুখে না বললেও সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এরপর ঠাম্মি তেজকে নিজের হাতে হালুয়া খাই দিতে চাইলে খেতে চায় না তেজ। সে বলে তার এখন শরীর ভালো লাগছে না তাই সে একটু একা থাকতে চাই। তারপরই সকলে তেজের ঘর থেকে বেরিয়ে আসে। এদিকে সুধা যে ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে সমস্ত কিছু লক্ষ্য করছে সেটা বুঝতে পারে তেজ। সুধা তেজকে খাবার খেয়ে নিতে বলে কিন্তু তেজ বলে সে কিছুতেই খাবার খাবে না। আর সুধার এখানে আসার কোন প্রয়োজন নেই সে ঠাম্মির কথা মেনে চলুক। এবারে দেখার অপেক্ষা সুধা তেজকে দেখতে আসার জন্য ঠাম্মির কাছে কি শাস্তি পায়।





