অসুস্থ কবীরের মুখোমুখি হল সূর্য! এবার সমস্ত সত্যিটা সূর্যের সামনে আনলো উর্মি, দীপাকে কি এবার আপন করবে সে?

বর্তমানে স্টার জলসার একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো অনুরাগের ছোঁয়া। এই ধারাবাহিকের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পেরে ওঠেনি কেউ। দীর্ঘ দুই বছর ধরে সফলভাবে ধারাবাহিকটি মানুষের মনোরঞ্জন করে চলেছে। বর্তমানে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার মধ্যে চলছে চরম অশান্তি। আর তাদের মাঝে পড়ে খারাপ পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে তাদের দুই সন্তান।

মাকে পাওয়ার জন্য এখন ব্যাকুল হয়ে উঠেছে সোনা। সোনা যবে থেকে জানতে পেরেছে যে সে ওই বাড়ির কেউ নয় সেদিন থেকে মাকে খোঁজার তাগিদ আরো অনেক গুণ বেড়ে গেছে তার মধ্যে। এই মুহূর্তে মাকে না পেলে হয়তো অসুস্থ হয়ে পড়বে এই ছোট্ট বাচ্চাটা। আর রুপার পরিস্থিতি তো আরোই খারাপ। সে সমস্তটা জেনেও নিজের অধিকার দেখাতে পারে না কারুর উপর। চুপ করে মুখ বুঝে কষ্ট সহ্য করতে করতে এই ছোট্ট বয়সেই অনেকটা বড় হয়ে উঠেছে সে।

সোনাকে ফিরিয়ে আনতে দীপার বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নেয় সূর্য। উর্মি বুঝতে পারে আবার সূর্যের সাথে তার দিদির কোন বড় ঝামেলা হতে চলেছে। কিভাবে এই ঝামেলা আটকাবে সেটাই ভেবে চলে সে। এসবের মাঝেই হঠাৎ তার মাথায় ঘোরাফেরা করে একটি বিষয়। সোনার দিদির প্রতি এত কিসের টান। লাবণ্য সেনগুপ্তর কাছে গিয়ে সমস্ত সত্যিটা জানতে চায় উর্মি।

লাবণ্য সেনগুপ্ত উর্মিকে বলে তুমি বদলে গেছো আমি জানি তাই তোমাকে সমস্ত সত্যিটা বলা যায়। সোনা আর কেউ নয় সে দীপার আরেক সন্তান। অর্থাৎ সোনা আর রুপা দীপার জমজ সন্তান। এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায় উর্মি কারণ সে কিছুটা এমনই আন্দাজ করেছিল। উর্মি বলে আমি সূর্যর সাথে দিদির সমস্ত বিবাদ মিটিয়ে দেবো।

সে লাবণ্য সেনগুপ্তকে বলে আমি খবর নিয়ে জেনেছি দেশে ফিরেছে কবির। আমি দাদাকে নিয়ে এই কবিরের কাছে যাব। আর সেখানেই কবিরকে দিয়ে সমস্ত সত্যিটা স্বীকার করাবো। তাহলেই দাদার সঙ্গে সমস্ত ঝামেলা মিটে যাবে দিদির। লাবণ্য সেনগুপ্ত বলে আমিও আর ওই দুটো বাচ্চার কষ্ট সহ্য করতে পারছি না। তুমি চেষ্টা করে দেখো যদি কিছু করতে পারো। সূর্য আর দীপার মাঝে পড়ে প্রতিদিন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাচ্ছে সোনা রুপা। উর্মি কি পারবে কবিরের সাহায্যে সূর্য আর দীপার মাঝখানে সমস্ত দূরত্ব মিটিয়ে দিতে?