সূর্য দীপার ভিডিও ভাইরাল! সাংবাদিকদের ক্ষোভের মুখে অর্জুন, ফের নতুন ঝড়ের মুখে দীপা

একদন্ড শান্তি নেই স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপার জীবনে। শুরু হওয়ার পর থেকেই লড়াই এবং চোখের জল এই দুই নিয়েই জীবন কাটাতে হচ্ছে দীপাকে। ধারাবাহিকের একঘেয়েমির জন্য পড়েছে টিআরপি। তবু নতুন চমক এনে ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্বকে আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করছে ধারাবাহিক নির্মাতারা। বর্তমানে আবারো এক অনেক বড় ঝড়ের সম্মুখীন হল দীপা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ডাক্তারি চিকিৎসার কিছু জিনিসপত্র আনার প্রয়োজনে কলকাতায় আসতে হয়েছিল সূর্যকে। না চাইতেও অনেক বড় ঝামেলায় ফেঁসে যায় সে যার ফল স্বরূপ পুলিশ কেস হয়। তাকে বাঁচাতে ছুটে আসে দীপা। কই কিছুক্ষণের দেখা হওয়া দীপার জীবনকে আবারো এলোমেলো করে দেয়। সূর্যের গলা প্রত্যেকটা কথায় দীপা আবারো ভেঙ্গে চুরে গুড়ো গুড়ো হয়ে যায়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সূর্য দীপাকে দেখে প্রচন্ড রেগে গিয়ে বলে ওঠে, “নিজের জীবনে অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছো তুমি এখন আর আমাকে কিসের প্রয়োজন? আমাকে দয়া করে আমার মত করে ছেড়ে দাও। আমি এখন অমানুষ হয়ে গেছি। ওই মেয়েটার সঙ্গে হোটেলে ধরা পড়েছে আমি। দেখে নিয়েছো তো আমার অবস্থা? দয়া করে আমার থেকে দূরে থাকো। আমি আর কারোর ভালো থাকার বা খারাপ থাকার কারণ হতে চাই না।” এই বলে গাড়ি করে চলে যায় সূর্য। তার পিছন পিছন ছুটতে থাকে দীপা, আর হোঁচট খেয়ে রাস্তায় আছড়ে পড়ে। কি করবে কিছুই বুঝতে পারেনা অর্জুন। সে দীপাকে বোঝায় এবং উঠে দাঁড় করায়।

আরো পড়ুন: ধারাবাহিক থেকে হঠাৎ ইস্তফা জনপ্রিয় নায়কের! কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেতা?

যখনই এই সমস্ত ঘটনা ঘটছিল তখনই ওর জন্য লক্ষ্য করে কেউ একজন ক্যামেরা নিয়ে তাদের ভিডিও করছে। এরপর তার পিছনে ছুটতে থাকে অর্জুন। লোকটিকে ধরতেই সে এবং তার সাথে থাকা এক মহিলা বলে তারা জার্নালিস্ট। রেগে গিয়ে অর্জুন লোকটির ক্যামেরা ভেঙে দিতে যায়। যথেষ্ট চেঁচামেচি ও কথা কাটাকাটি হয় তাদের মধ্যে। নিজের পেশার স্বার্থে তারা লুকিয়ে ভিডিও করতেই পারে। এতে যদি কেউ বাধা দিতে আসে তাহলে তার অবস্থা খারাপ করে দেবে তারা। পরিবারের মানুষজনদের ঘর থেকে বেরনো বন্ধ করে দেবে। এরপর তারা চলে গেলে দীপা অর্জুনকে বলে, “আমি চাইনি তুমি এভাবে আমার সাথে জড়িয়ে যাও।”

সকাল হতেই সোনা রুপাকে স্কুলে পাঠায় দীপার বৌদি। পারফিউম তৈরি করতে আসা এক মহিলা দীপাকে বলে তাকে আর ডাক্তারবাবুকে নাকি সব জায়গায় দেখাচ্ছে। কথাটা শুনে দীপার মনে হয়, আজ সোনা রুপাকে স্কুলে না পাঠালেই ভালো হতো। এদিকে স্কুলে যাওয়া মাত্রই সোনা রুপার এক সহপাঠী তাদেরকে বলে, “তোদের তো বাবা এসেছিল। তোদের মা তোদেরকে কিছু বলেনি। তোরা যদি কাউকে কিছু না বলিস তাহলে আমি তোদের ভিডিও দেখাবো।” দীপা বুঝতে পেরেছিল এমন কিছু একটা হতে পারে তাই সে সোনা রুপাকে নিতে স্কুলে চলে আসে।