দীপার নাটকে শামিল গোটা পাড়া! তার বানানো গল্পে গলে জল সূর্য!

বর্তমানে স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিক গুলি বহাল তবিয়তের সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হলো চ্যানেলের সব থেকে প্রবীণ এবং এককালীন জনপ্রিয় ধারাবাহিক অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager chowa)। এই ধারাবাহিকের মধ্যমণি হচ্ছে নায়িকা দীপা এবং নায়ক সূর্য। বর্তমানে ফের জমে উঠেছে ধারাবাহিকের পর্ব গুলি। আবার জমজমাট হয়ে উঠেছে সূর্য দীপার জীবন।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দীপা চেষ্টা করছে আর কোনরকম লুকোচুরি না করে দীপা হয়ে সেনগুপ্ত বাড়িতে থাকার। ইতিমধ্যে এসে বাড়ির প্রত্যেকটা মানুষকে এক ছাদের নিচে এনে হাজির করেছে। যারা আসল মানুষটা হয়ে না থাকতে পারলেও ছদ্মবেশে ঠিকই সেনগুপ্ত বাড়িতে অবস্থান করছে। এইবার নিজের জায়গাটা পাকা করতে গিয়ে অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হলো দীপাকে। সূর্যর প্রশ্ন বাণে প্রায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল দীপা।

অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ৬ আগষ্ট (Anurager Chowa Today Episode 6 August)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সূর্যকে পাড়ার প্রত্যেকে মিলে ঘিরে ধরে। তারা সবাই সূর্যকে বলে সে নাকি তাদের জামাই। অবস্থা বেগতিক দেখে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে দীপা। এরপর সূর্যের সমস্ত প্রশ্ন তীরের মতন বিঁধতে থাকে ধারাবাহিকের নায়িকাকে। সূর্য দীপাকে বলে, “তুমি কেন মিথ্যে কথা বলেছ? তুমি বলেছ আমি তোমার স্বামী! মিথ্যে আমি একেবারেই সহ্য করতে পারিনা।” কি বলবে কিছুই বুঝে উঠতে পারে না দীপা। সূর্য তাকে প্রতিনিয়ত বকাবকি করতে থাকে।

দীপার নাটকে শামিল দাদা বৌদি

দীপা বলে, “আমি বিবাহিত এটা যদি ওরা বিশ্বাস না করত তাহলে ওরা আমাকে এখানে থাকতে দিত না। এখানে থাকার জন্য বাধ্য হয়ে আমি এই কথাটা বলেছি। আমি ভেবেছিলাম তোমার নাম নেওয়া যেতে পারে কারণ তুমি আমাকে বুঝবে। আমার মা-বাবা অনেক কষ্ট করে আমাকে এখানে পাঠিয়েছে। তাই আমি ওদের উপর আর কোন চাপ সৃষ্টি করতে চাইনি।” সব শুনে দীপার এরকম করুণ পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে শান্ত হয় সূর্য। এদিকে দীপার দাদা বৌদি দারুন অভিনয় করে। তারা রীতিমতো দীপাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

বাধ্য হয়ে সূর্য দীপাকে নিয়ে সেনগুপ্ত বাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে আরেক দফা নাটক করার জন্য তৈরি হয়ে যায় লাবণ্য। সূর্য দীপাকে নিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই লাবণ্য চিৎকার করা শুরু করে। সে বলে, গায়ের রং এমন চাপা যে মেয়ের, তাকে এই বাড়িতে নিয়ে আসার সাহস পেলো কি করে পেল সূর্য, সে কোনো ভাবেই ওই মেয়েটিকে এখানে থাকতে দেবে না। লাবণ্য এত বেশি চিৎকার করতে থাকে যে, সূর্যও বলে ফেলে, দীপাকে এখানে থাকতে হবে না। এটা শোনা মাত্রই উল্টো ফ্যাসাদে পড়ে যায় দীপা।