আবার জমে উঠেছে অনুরাগের ছোঁয়া, নিজেদের বিয়ের স্মৃতিচারণেই কি মান অভিমান ভাঙবে ‘সুদীপা জুটি’র? আশায় ভক্তরা

বর্তমানে কোর্টের অর্ডারে একই ছাদের নিচে দিপার বাড়িতে একসাথে দিনযাপন করছে সূর্য দীপা। ধীরে ধীরে নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নিচ্ছে সমস্ত মান-অভিমানের পালা। না চাইতেও কাছাকাছি আসছে একে অপরের। একে অন্যের কষ্ট দেখতে পাচ্ছে না দুজনেই। তাই কেউ কষ্ট পেলে এগিয়ে যাচ্ছে সব ফেলে।

একের পর এক সব প্ল্যান বানচাল হয়ে যাচ্ছে মিশকার। প্রথমে দীপাকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মারার প্ল্যানটাও বানচাল করে দিল সূর্য। বিপদে ফেলতে গিয়ে উল্টে নিজের অজান্তেই সূর্যদীপাকে অনেকটাই কাছে নিয়ে এলো মিশকা। যাই হয়ে যাক না কেন শেষ পর্যন্ত অসফল হচ্ছে সেই। এবার শুধু মুখোশটা খুলে পড়ে গিয়ে আসল চেহারাটা সবার সামনে বিশেষত সূর্যের সামনে আসা বাকি তার।

অন্যদিকে সোনা আর রুপার মাঝেও চলছে মান অভিমানের পালা। স্কুলে গিয়ে একই বেঞ্চে বসছে না তারা। তবে রুপা বুদ্ধিমান নিজেদের সম্পর্কের সমস্যার মাঝে অন্য কোন বন্ধুকে ঢুকতে দিচ্ছে না সে। সোনাকে নিয়ে তার বাবার সাথে দেখা করানোর জন্য চলে যায় মিশকা। সাথে সাথে স্কুলের ম্যাডামের ফোন থেকে লাবণ্য সেন কে ফোন করে রূপা, আর জানিয়ে দেয় সবকিছু। এমনটা করে এসে আবারও তার নিজের বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়। প্রতিদিন রুপার বুদ্ধি দেখে রুপার উপর মুগ্ধ হচ্ছে দর্শক।

লাবণ্য তড়িঘড়ি স্কুলে গিয়ে রুপাকে নিয়ে দীপার বাড়িতে চলে যায় আর সেখানে গিয়েই তাদের সাথে মিশকা আর সোনার দেখা হয়। এই ঘটনায় মিশকার ওপর ক্ষেপে লাল লাবণ্য সেন। লাবণ্য সেনের মতিগতি দেখে সে ঠিকই বুঝে গিয়েছে তার কপালে দুঃখ আছে তাই জরুরী অপারেশনের নাম করে সেখান থেকে চম্পট দেয় মিশকা।

অন্যদিকে দীপার পাড়ায় কালো বলে বিয়ে আটকে যায় একটি মেয়ের। খবরটা পৌঁছে যায় দিপা সূর্যর কাছে। বিয়ের মন্ডপে গিয়ে সূর্য দীপা দিয়ে সম্পন্ন করে মেয়েটির। সবাইকে বুঝিয়ে দেয় গায়ের রং কখনো কোন কিছুতে বাধা হতে পারে না। দীপার সাথে ও শুরুতে এমনটাই কিছু হয়েছিল তাই নিজেদের বিয়ের দিনগুলো মনে পড়ে যায় সুদীপা জুটির। সেই দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করতে থাকে সূর্য দীপা। এই দিনের পর্বে সব দিক থেকেই বেশ সন্তুষ্ট দর্শক মহল।